মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার বাংলাবাজার ও শিলই ইউনিয়নের নদীভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য মোঃ কামরুজ্জামান এবং মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দা নুরমহল আশরাফী।
রবিবার (২০ জুলাই ২০২৬) সকালে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শনকালে তাঁদের সঙ্গে ছিলেন জেলা পরিষদ, মুন্সীগঞ্জের প্রশাসক এ. কে. এম. ইরাদত, মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা, পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।
পরিদর্শনকালে প্রতিনিধিদল নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখেন এবং ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টগুলো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। ভাঙনের তীব্রতা নিয়ন্ত্রণে জরুরি ব্যবস্থা হিসেবে বিভিন্ন স্থানে জিও ব্যাগ নিক্ষেপ কার্যক্রম পরিদর্শন ও তদারকি করা হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে ভাঙন প্রতিরোধে কী ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন, সে বিষয়েও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়।
এ সময় সংসদ সদস্য ও জেলা প্রশাসক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের বর্তমান পরিস্থিতি, দুর্ভোগ, নিরাপত্তা, বসতভিটা রক্ষা, পুনর্বাসন এবং সরকারি সহায়তার বিষয়ে খোঁজখবর নেন। স্থানীয় বাসিন্দারা নদীভাঙনের কারণে সৃষ্ট বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরলে তাঁরা সেগুলো গুরুত্বের সঙ্গে শোনেন এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন।
তাঁরা বলেন, নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে সরকার সবসময় রয়েছে। জনগণের জানমাল ও বসতভিটা রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে এবং ভাঙন পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তর সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, নদীভাঙন পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড, জেলা প্রশাসন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরসমূহ সমন্বিতভাবে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদার করেছে। ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনা, দ্রুত প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।







