ডা: শফিকুর রহমান

আমেরিকার সাথে চুক্তির বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকার জামায়াতের সাথে আলোচনা করেনি

Post Image

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা: শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমেরিকার সাথে চুক্তির বিষয়ে অন্তর্বতীকালীন সরকার জামায়াতের সাথে একটি শব্দও উচ্চারণ করেনি। এটা আগেও বলেছি। এখনো বলছি দায়িত্ব নিয়ে।’ তিনি আরো বলেন, ‘তিস্তার বিনিময়ে পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প আমরা মেনে নিবো না, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হতেই হবে।’ ‘কেবল ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে আঘাত করার অধিকার পশ্চিমবঙ্গসহ দুনিয়ার কোনো দেশের সংবিধানও দেয়নি, দুনিয়ার কারো নেই। এ ব্যাপারে আমাদের অবস্থান পরিষ্কার।’ শুক্রবার (১৫ মে) সন্ধ্যা ৬টায় শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যের আগে সাংবাদিকদের সাথে ব্রিফিংয়ে এসব বলেন জামায়াত আমির।

এসময় তার সাথে ছিলেন দলটির রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চল পরিচালক মাওলানা আব্দুল হালিম, সহকারী পরিচালক মাওলানা মমতাজ উদ্দিন, পরিচালনা কমিটির সদস্য মাহবুর রহমান বেলাল এমপি, রায়হান সিরাজি এমপি, মহানগর জামায়াত আমির এ টি এম আজম খান, সেক্রেটারি আনোয়ারুল ইসলাম কাজল প্রমুখ।

আমেরিকার সাথে চুক্তির বিষয়ে বিএনপি-জামায়াতের সাথে কথা হওয়া সংক্রান্ত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দুই উপদেষ্টার বক্তব্যের বিষয়ে অবস্থান তুলে ধরে জামায়াত আমির বলেন, ‘এই বিষয়ে আগেও প্রশ্ন এসেছিল। তখন আমি আমার নিজের একটা বক্তব্য দিয়েছি যে, সরকারের (অন্তবর্তীকালীন) পক্ষ থেকে কেউ আমাদের সাথে এই বিষয় (আমেরিকার সাথে চুক্তি) নিয়ে কোনো আলোচনা করে নাই। এখনো আমি অত্যন্ত দায়িত্ব নিয়ে বলছি, তৎকালীন সরকারের পক্ষ থেকে কোনো একজন মানুষ এই বিষয় নিয়ে আমাদের সাথে একটা শব্দ উচ্চারণ করেনি। এটাই হচ্ছে আমাদের পজিশন।’

তিনি বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে যেটা হয়েছে, শুধু পশ্চিমবঙ্গ না— দুনিয়ার যেখানে এই রকম অপকর্ম হবে আমরা তার নিন্দা জানাই। শুধু ধর্মীয় পরিচয়ে কাউকে আঘাত করার অধিকার এই দুনিয়া কাউকে দেয় নাই। কোনো দেশের সংবিধানও দেয় নাই। কেউ যদি এটা করেন মানবতার উপর এটা জুলুম এবং আমরা তার বিপক্ষে সবসময় আমাদের অবস্থান স্পষ্ট।’

ডা: শফিক বলেন, ‘আমরা পদ্মা ব্রিজের এই উদ্যোগকে অভিনন্দন জানাই। কিন্তু এটা তিস্তার বিনিময়ে নয়। তিস্তার জায়গায় তিস্তাকে অবশ্যই তার পাওনা দিতে হবে এবং এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতেই হবে। এর ভিন্ন আমরা কিছু চাই না। আমি সংসদের ভিতরে স্পষ্টভাবে এনিয়ে কথা বলেছি আপনারা দেখেছেন। আমাদের অবস্থান এ বিষয়ে একদম পরিষ্কার।’

জামায়াত আমির বলেন, ‘আমরা আমাদের দলের মুক্তি নয়, দেশবাসীর মুক্তি চাই। আমরা আমাদের দেশ দলের উন্নতি নয়, আমরা গোটা দেশবাসীর উন্নতি চাই। এইভাবেই আমরা একটা ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গঠন করতে চাই।’

জামায়াত আমির বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন, ৭০ ভাগ মানুষ প্রায়, তারা রায় দিয়েছিল গণভোটের পক্ষে। কিন্তু সরকারি দল এটাকে অপমান এবং অগ্রাহ্য করেছে। আমরা কথা দিয়েছি এই কর্মসূচি আমরা বাদ দেব না, পরিত্যক্ত ঘোষণা করব না। সংসদের ভিতরেও লড়াই চালিয়ে যাব। সংসদের বাইরেও লড়াই চালিয়ে যাব। আমরা গভীর আস্থাশীল, গণভোটের রায় এই বাংলার জমিনে একদিন ইনশাআল্লাহ বাস্তবায়ন হবে। গণভোটের রায় অপমানে, অবহেলায় পরিত্যক্ত হবে না ইনশাআল্লাহ।’

এই বিভাগের আরও খবর

রাজনীতি

সর্বশেষ খবর

সরকারি সুবিধা নামে বিএনপি নেতার প্রতারণা, পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ

দুই মাসের ব্যবধানে বিদ্যুৎ-গ্যাসের দাম বৃদ্ধিতে জনগণ হতাশ

এনসিপিতে চার মুক্তিযোদ্ধাসহ দুই শতাধিক নেতাকর্মীর যোগদান

১৮ কিশোর গ্যাং সদস্যকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিলো ছাত্রদল

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধিতে স্বস্তি পেলেন দুই শ্রেণির মানুষ।

রোহিঙ্গা সংকটে তুরস্কের সহযোগিতা চাইল জামায়াত

যেকোনো সময় ছাত্রদলের কমিটি, কপাল পুড়তে পারে বিতর্কিতদের

পুলিশের ওপর হামলা: ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার ও দল থেকে বহিষ্কার

সর্বাধিক পঠিত

৩০ দফা ইশতেহার ও ১২ বিশেষ কর্মসূচি ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের

প্রয়োজনে দেশের মানুষ ভোটের জন্য জীবন দেবে: আসিফ মাহমুদ

হাসিনার বিচার আন্তর্জাতিক মানের হয়েছে, রায়ও বাস্তবায়ন হবে

একটি বিশ্বমোড়ল ও দুটি ‘আঞ্চলিক শক্তি’ প্রভাব বিস্তার করতে চাইছে: সালাহউদ্দিন

এবার নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন এনসিপির সামান্তা শারমিন

সামনে আরও হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে : মির্জা ফখরুল

গণঅভ্যুত্থানের সেই আইকনিক জার্সিতে সংসদে হাসনাত আবদুল্লাহ

ঢাকা-১৯ আসনে নির্বাচনি প্রচারণায় বাধা ও নারী হেনস্তা: ১১ দলীয় জোটের তীব্র নিন্দা

সারাদেশে ১৫ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা জামায়াত জোটের

একটি গ্রুপ ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করার চেষ্টা করছে: মির্জা আব্বাস