যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী বেসামরিক নৌযানে হামলা চালিয়েছে। এমন দাবি তুলেছেন ইরান সরকার। এ ঘটনায় পাঁচজন সাধারণ নাগরিক নিহত হয়েছেন বলে দাবি তেহরানের। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যেসব নৌকায় হামলা হয়েছে, সেগুলো ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) কোনো ইউনিটের অংশ ছিল না। বরং এগুলো সাধারণ মানুষের ব্যবহৃত নৌকা ছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, লক্ষ্যবস্তু করা নৌযানগুলো আইআরজিসিরই ছিল। ইরান এই দাবি সরাসরি নাকচ করেছে। একই সঙ্গে ইরান আরো অভিযোগ করেছে, মার্কিন যুদ্ধজাহাজ হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশের চেষ্টা করেছিল। তাদের দাবি, ওই সময় জাহাজগুলোর রাডার বন্ধ ছিল, যা পরিস্থিতিকে আরো সন্দেহজনক করে তোলে।
ইরান জানায়, পরে রাডার চালু হলে জাহাজগুলোর অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হয়। কারণ, ওই এলাকায় নিয়মিত নজরদারি চালায় ইরানের নৌবাহিনী। জাহাজগুলো চিহ্নিত হওয়ার পর ইরানি বাহিনী প্রতিরোধে নামে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানায়, এ সময় সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে গুলি ছোড়া হয় বলে দাবি করা হয়েছে।
ইরানের ভাষ্য অনুযায়ী, এই সতর্ক বার্তায় যুদ্ধ ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র এবং রকেট ব্যবহার করা হয়। এরপর মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলো এলাকা ছেড়ে যেতে বাধ্য হয় বলে জানানো হয়েছে।
এই পরিস্থিতি নিয়ে ইরান তার কঠোর অবস্থানের বিষয়টি জানিয়েছে। তারা সতর্ক করে বলেছে, ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী আবার হরমুজ প্রণালিতে ঢোকার চেষ্টা করলে, সেটিকে যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচনা করা হবে।







