মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমান, বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান, সেক্টর কমান্ডার মেজর এম এ জলিল, মুক্তিযোদ্ধাদের গণকবর এবং অন্যান্য শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় কবর জিয়ারত, দোয়া ও ফাতিহা পাঠ করেছে জাস্টিস অ্যান্ড ডেমোক্রেসি পার্টি (জেডিপি)-এর নেতৃবৃন্দ।
২৬ মার্চ সকালে জেডিপির নেতাকর্মীরা রাজধানীর মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে এ কর্মসূচি পালন করেন।
মুনাজাতের পূর্বে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় জেডিপির মুখপাত্র নাঈম আহমাদ বলেন, ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী ‘অপারেশন সার্চলাইট’-এর নামে নিরীহ ও স্বাধীনতাকামী পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের ওপর ভয়াবহ গণহত্যা চালায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, পিলখানা, রাজারবাগ পুলিশ লাইনসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, ছাত্র ও সাধারণ মানুষের ওপর নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়।
তিনি বলেন, এটি ছিল পশ্চিম পাকিস্তানের একটি সুপরিকল্পিত গণহত্যা। এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়েই প্রতিরোধের সূচনা ঘটে, যা পরবর্তীতে দীর্ঘ নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধে রূপ নেয় এবং অসংখ্য শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয় আজকের স্বাধীন বাংলাদেশ। এভাবেই আসে আমাদের ২৬ মার্চের মহান স্বাধীনতা দিবস।
তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার প্রকৃত চেতনা বাস্তবায়নে সামাজিক ঐক্য বিনির্মাণ, ন্যায়বিচার, গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের প্রতিষ্ঠা জরুরি। জেডিপি একাত্তর, পিলখানা, শাপলা ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানসহ সকল গণহত্যার গ্রহণযোগ্য বিচার চায় বলেও তিনি জানান।
এ সময় জেডিপির কেন্দ্রীয় সংগঠক ইমরান হোসেন রাহাত, মুত্তাকী বিন মুনির, নাকিবুর রহমান, মাহতাব হোসাইন সাব্বির প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।







