ইরানে ন্যাক্কারজনক হামলা ও সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ উর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাদের হত্যার প্রতিবাদে রাজধানী ঢাকায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে জামায়াতে ইসলামী।
রোববার বেলা তিনটায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন দলের নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি।
তিনি বলেন, ইরানের অগ্রযাত্রাকে সহ্য করতে না পেরে দীর্ঘদিনের ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতায় ন্যাক্কারজনক হামলা করা হয়েছে। এই হামলা শুধু ইরান বা মুসলমানদের বিরুদ্ধে নয়, গণতান্ত্রিক সরকার ও মানবতার বিরুদ্ধে হামলা। জামায়াতের পক্ষ থেকে এই হামলা এবং আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি সহ অন্যান্যদের হত্যার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করছি। এর বিরুদ্ধে গোটা বিশ্বকে এগিয়ে আসার আহবান জানাচ্ছি।
এটিএম আজহার আরো বলেন, ওআইসি ও জাতিসংঘ তাদের যথাযথ ভূমিকা পালন করছে না। অবিলম্বে তারা তাদের যথার্থ ভূমিকা পালন না করলে বিশ্বের জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করবে। তিনি ইরানসহ মুসলিম বিশ্বে ইসরাইলি হামলা বন্ধের আহবান জানান। একইসঙ্গে ইসরাইলি পণ্য বর্জন সহ দেশটির বিরুদ্ধ মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান তিনি।
এছাড়া চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে বিএনপির হামলায় দলীয় কর্মী হাফিজুর রহমান শহীদ হওয়ায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়ে এটিএম আজহার বলেন, অবিলম্বে এই হত্যাকান্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তার করুন। আর একটি হত্যাকান্ডও যেন না ঘটে সেজন্য সরকারকে উদ্যোগ নেয়ার আহবান জানিয়ে বলেন, আমাদেরকে রাজপথে নামতে বাধ্য করবেন না। রাজপথে নামলে আপনারা নিস্তার পাবেন না।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপির সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মতিউর রহমান আকন্দ ও ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির সেলিম উদ্দিন, দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি ও উত্তরের সেক্রেটারি ড. রেজাউল করিম প্রমুখ।
সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে পল্টন ও কাকরাইল মোড় সহ বিভিন্ন সড়ত প্রদক্ষিণ করে।







