জামায়াত ছায়া সংসদ গঠন করেছে বলে জানিয়েছে বিরোধী দলীয় নেতা ও দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বললেন, ছায়া মন্ত্রিসভার সাংবিধানিক মর্যাদা না থাকলেও সারাবিশ্বে আছে। সময় হলেই এটি প্রকাশ করব।
আজ বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে বাজেট নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
জামায়াত আমিরের ভাষ্য, গান বাজনার সংসদ নয়, দায়িত্বশীল সংসদ হিসেবে দেখতে চাই। জনগণের সমস্যা ও সমাধান নিয়ে কথা বলতে হবে। একটা স্থিতিশীল সংসদ প্রয়োজন। আমরা সে দায়িত্বই পালন করছি।
সরকার গণভোট না মানায় জাতীয় জীবনে সংকট তৈরি হয়েছে। গণভোট আমরা চেয়েছি, বিএনপিও চেয়েছে। নিয়ম মেনে আমরা সংস্কার পরিষদের শপথ নিয়েছি। কিন্তু বিএনপি তা নেয়নি। বিএনপি বলছে, সংবিধানে না থাকায় তারা সংস্কার পরিষদের শপথ নেননি। সংবিধানে তো ড. ইউনূসের সরকারও ছিল না। তাদের আয়োজন করা নির্বাচনেই তো বিএনপি আজকে ক্ষমতায়, বললেন এই বিরোধীদলীয় নেতা।
দেশের প্রায় ৭০ ভাগ মানুষ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দিয়েছে। বিএনপি তাদের ভোটকে অগ্রাহ্য ও অপমান করেছে অভিযোগ করেন জামায়াত আমির। তার ভাষ্য, কিন্তু সংসদ এমন ডিজাইনে সাজানো হয়েছে যে, আমাদের পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হয়নি। বৈষম্যের বিরুদ্ধে জুলাই গণঅভ্যুত্থান হয়েছিল। অথচ সংসদে বিরোধী দল বৈষম্যের শিকার হচ্ছে।
বাজেট প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বললেন, একটি ছায়া বাজেট পেশ করেছিলাম আমরা। যেমন ধারণা করেছিলাম, তেমন বাজেটই হয়েছে। কালো টাকা সাদা করার সুযোগ বাতিলসহ কিছু বিষয়ে বিরোধী দলের আপত্তি সরকারি দল আমলে নিয়েছে। আমরা জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর অর্থ বছরের প্রস্তাব করেছিলাম। তবে এর কোনো সমাধান পাইনি।
এ সময় জামায়াত জাতীয় স্বার্থে ১৯৯১ সালে সরকার গঠনে বিএনপিকে সহযোগিতা করেছিল বলে উল্লেখ করেন জামায়াত আমির। একইসঙ্গে তিনি বললেন, জুলাই স্মৃতি জাদুঘর এবং জুলাই ফাউন্ডেশন নিয়ে বর্তমানে তিনি কোনো তৎপরতা দেখছেন না।







