সেন্সর বোর্ডে সভায় বক্তারা

‘চলচ্চিত্রে ধূমপানের দৃশ্য থাকলে জাতীয় পুরস্কার নয়’

Post Image


চলচ্চিত্র, নাটক ও ওটিটি কনটেন্টে জনপ্রিয় শিল্পীদের মাধ্যমে আইনবিরোধী ধূমপানের দৃশ্য প্রচার শিশু-কিশোর ও তরুণদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে—এমন উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বক্তারা। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন, ওটিটি কনটেন্টকে সেন্সরশিপের আওতায় আনা এবং প্ল্যাটফর্মভিত্তিক আলাদা গাইডলাইন প্রণয়নের তাগিদ দেওয়া হয়।


বক্তারা আরও বলেন, ধূমপানসহ নেতিবাচক দৃশ্য সম্বলিত চলচ্চিত্রকে জাতীয় পুরস্কারের জন্য অযোগ্য বিবেচনা করার বিষয়টিও গুরুত্ব সহকারে দেখা উচিত।


রাজধানীর তথ্য ভবনে মাদকদ্রব্য ও নেশা নিরোধ সংস্থা (মানস) এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড আয়োজিত ‘চলচ্চিত্রে ধূমপানের দৃশ্য নিয়ন্ত্রণে আইনের বাস্তবায়ন: সংশ্লিষ্টদের করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব অভিমত তুলে ধরা হয়।


মানস-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ড. অরূপরতন চৌধুরী’র সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান এস. এম আব্দুর রহমান। সভায় প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ভাইটাল স্ট্রাটেজিসের টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজার আমিনুল ইসলাম সুজন। সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুমা রহমান, চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি’র সভাপতি মিশা সওদাগর, চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি’র সভাপতি শাহীন সুমন, সংগীত পরিচালক প্রিন্স মাহমুদ, চলচ্চিত্র পরিচালক ও প্রযোজক রফিকুল আনোয়ার রাসেল, চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড সদস্য ও অভিনেত্রী কাজী নওশাবা আহমেদ, চলচ্চিত্র পরিচালক তাসমিয়া আফরিন মৌ, চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন রোর্ডের উপ-পরিচালক মোঃ মঈনউদ্দিন, জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেল’র প্রোগ্রাম অফিসার ডা. ফরহাদুর রেজা, বঙ্গ ওটিটি’র হেড অব কন্টেন্ট হায়দার আলী প্রমুখ। সভা সঞ্চালনা করেন মানসের সিনিয়র প্রজেক্ট এন্ড কমিউনিকেশন অফিসার মো. আবু রায়হান।


এস. এম আব্দুর রহমান বলেন, মানসসহ সবার প্রচেষ্টায় পাবলিক প্লেস ও পরিবহনে ধূমপান অনেকাংশে কমেছে। এমন সময়ে চলচ্চিত্র, ওটিটি কন্টেন্টগুলোতে ধূমপান, মাদকদ্রব্য প্রদর্শন যুক্তিযুক্ত নয়। এসব দৃশ্য দেখে শিশুরা প্রভাবিত হয়। চলচ্চিত্র নির্মাতা ও শিল্পীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরো সচেতন হতে হবে।


চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডের তরফ থেকে সিনেমায় ধূমপানের দৃশ্য বন্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কেননা, চলচ্চিত্রের উন্নতির জন্য বোর্ড নিরলসভাবে কাজ করছে।


প্রবন্ধে আমিনুল ইসলাম সুজন ‍বলেন, চলচ্চিত্রে ধূমপানের দৃশ্য অল্পবয়সীদের প্রভাবিত করে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দর্শক জনপ্রিয়তা পাওয়া ‘তাণ্ডব’ চলচ্চিত্রে ১০২ বার ধূমপানের দৃশ্য প্রচার হয়েছে। ‘আলী’ সিনেমায় ৫৫ এবং ‘বরবাদ’ এ ১২১ বার ধূমপানের দৃশ্য ফোকাস করে দেখানো হয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর

বিনোদন

সর্বশেষ খবর

‘ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মোটেও উচিত হয়নি এই দেশের দায়িত্ব নেওয়া’

‘চলচ্চিত্রে ধূমপানের দৃশ্য থাকলে জাতীয় পুরস্কার নয়’

ব্যারিস্টার সুমনকে নিয়ে যা বললেন অভিনেত্রী পিয়া জান্নাতুল

অভিনয় ছাড়ার ঘোষণা অভিনেত্রীর, জানালেন ‘দ্বীনের পথে শান্তি’ খোঁজার কথা

কন্যা সন্তানের বাবা হলেন ‘কাবিলা’খ্যাত পলাশ

এরকম ক্যারেক্টার হাতছাড়া করা উচিত হবে না : মেহজাবীন

শাকিবের সঙ্গে ভালোবাসা দিবসের স্মৃতি নিয়ে যা বললেন অপু

গোলাপি আভায় জয়া আহসানের জাদু

সর্বাধিক পঠিত