জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ডেপুটি চিফ অর্গানাইজার ডা. মাহমুদা আলম মিতু বলেছেন, আমাদের ১১ দলীয় জোট নাকি নারীদের বিরুদ্ধে প্রপাগান্ডা ছড়াচ্ছি। অথচ দাঁড়িপাল্লার পক্ষে দেশের হাজার হাজার তরুণী ফেসবুকে রিলস বানাচ্ছে। তারা মনে করে, জামায়াতে ইসলামী নারীদের জন্য নিরাপদ।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টায় ঝালকাঠি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনি জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ১১ দলীয় জোটের দাঁড়িপাল্লার পক্ষে গণজোয়ার শুরু হয়েছে। এই গণজোয়ার দেখে একটি দলের মাথা ঠিক নেই, হাত-পা কাঁপতে শুরু করেছে।
মাহমুদা মিতু বলেন, গণজোয়ার দেখে তারা আমাদের আইডি হ্যাক করেছে। বলা হচ্ছে, আমরা নাকি নারীদের বিরুদ্ধে প্রপাগান্ডা ছড়াচ্ছি। অথচ দাঁড়িপাল্লার পক্ষে দেশের হাজার হাজার তরুণী ফেসবুকে রিলস বানাচ্ছে। তারা মনে করে, জামায়াতে ইসলামী নারীদের জন্য নিরাপদ। ইসলামে কোনো জোর-জবরদস্তি নেই। যে যেভাবে থাকতে চায়, তাকে সেভাবেই থাকতে দেওয়া হয়।
তিনি বলেন, জামায়াতের বোনদের অপমান ও হেনস্তা করা হয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো নারীর গায়ে হাত দিলে আমরা সবাই মিলে তা প্রতিহত করব। আমরা দীর্ঘদিন ধরে জামায়াত-শিবিরের ভাইদের সঙ্গে কর্মসূচি করছি। তারা আমাদের আপন ভাইদের মতো নিরাপত্তা দেয়, সম্মান করে। আমাদের আমির বলেছেন, নারীদের তিনি মাথায় তুলে রাখবেন, তাজ বানিয়ে রাখবেন। এটাই ইসলামি আদর্শ।
মাহমুদা মিতু বলেন, হাসিনার মতো ক্ষমতায় আসার স্বপ্ন দেখবেন না। ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করবেন না। আমরা নারীরা সব ভোটকেন্দ্র পাহারা দেব।
জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় আমির ডা. শফিকুর রহমান। এছাড়া বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল, ঝালকাঠি-২ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী এসএম নেয়ামুল করিম, ঝালকাঠি-১ আসনের প্রার্থী ড. ফয়জুল হক, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মুস্তাফিজুর রহমান ইরান, এবি শ্রমিক পার্টির যুগ্ম সমন্বয়ক শেখ জামাল হোসেন এবং ঝালকাঠি এনসিপির আহ্বায়ক মাইনুল ইসলাম মান্না।
জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে জনসভায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন নেতারা উপস্থিত ছিলেন।







