পাকিস্তানে একটি মার্কেটে ভয়াবহ আগুন লেগেছে। এ ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়েই চলছে। এর মধ্যে একটি দোকান থেকে অন্তত ৩০ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) জিও নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করাচির গুল প্লাজায় উদ্ধারকর্মীরা ভবনের মেজানাইন ফ্লোরের একটি দোকান থেকে একসঙ্গে অন্তত ৩০টি লাশ উদ্ধার করেছেন। এতে গত এক দশকের মধ্যে শহরের সবচেয়ে ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডে মোট মৃতের সংখ্যা ৬০ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া অগ্নিকাণ্ডে এখনও বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
দক্ষিণ করাচির ডিআইজি সৈয়দ আসাদ রাজা জানান, মেজানাইন ফ্লোরে অবস্থিত একটি ক্রোকারিজ দোকানের ভেতর থেকেই সব ৩০টি লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি বলেন, লাশগুলো হাসপাতালে পাঠানোর পর উদ্ধার অভিযানের পরবর্তী ধাপে যাওয়া হবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়েছিল দোকানটির ভেতরে ২০ থেকে ২৫টি লাশ থাকতে পারে। তবে অভিযানে সেখানে ৩০ জনের লাশ পাওয়া যায়। এতে অগ্নিকাণ্ডে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৬০ জনে।
জিও নিউজ জানিয়েছে, লাশ উদ্ধারের সময় ভবন থেকে রেসকিউ ১১২২, এধি ফাউন্ডেশন, রেঞ্জার্স ও চিপা স্বেচ্ছাসেবকদের সাময়িকভাবে সরিয়ে নেওয়া হয়। একই সঙ্গে বিপুলসংখ্যক অ্যাম্বুলেন্স ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। এ সময় পুলিশ পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে এবং অভিযান নির্বিঘ্ন রাখতে অতিরিক্ত জনবল মোতায়েন করে। তবে উদ্ধার হওয়া লাশ গুলো দোকান মালিক, কর্মচারী নাকি ক্রেতাদের তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগুন লাগার পর শপিং সেন্টারের ভেতরে হুড়োহুড়ি শুরু হলে অনেকে প্রাণ বাঁচাতে ওই দোকানে আশ্রয় নেন। ভবনের অধিকাংশ বের হওয়ার পথ বন্ধ থাকায় অনেকেই দোকান, কোণা ও ছাউনি দেওয়া জায়গায় লুকিয়ে পড়েন।
এদিকে করাচি সাউথের ডেপুটি কমিশনার জানান, ভবনের কয়েকটি অংশ এখনও পুরোপুরি তল্লাশি করা হয়নি। সেসব এলাকায় দিনের পরবর্তী সময়ে উদ্ধার অভিযান শুরু হবে।







