নোয়াখালীতে নামে-বেনামে ঋণ দেয়ার কথা উল্লেখ করে ১০ কোটির টাকার বেশি অর্থ হাতিয়ে নিয়ে আত্মগোপনে থাকা আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক সেনবাগ ও দত্তেরহাট শাখা ব্যবস্থাপক আলমগীর হোসেনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
রোববার সকাল সাড়ে ১০ টায় র্যাবের কাছ থেকে তাকে দুদকের নোয়াখালী কার্যালয়ের তদন্ত টিমের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
ঋণ নেয়া অধিকাংশ গ্রাহকের বাস্তবে অস্তিত্ব না থাকা, ভুয়া এনআইডি কার্ড ও মোবাইল নম্বর ব্যবহার করা এবং গ্রাহকদের নামে ঋণ তুলে ব্যাংকের দুটি শাখা থেকে ১০ কোটি টাকার বেশি আত্মসাৎ করে পালিয়ে ছিলেন তিনি।
দুদকের এনফোর্সমেন্ট ইউনিটের গত ২০ অক্টোবরের অভিযানে কর্মকর্তারা রেকর্ডপত্র সংগ্রহ ও যাচাই করে অসংখ্য অনিয়ম এবং জালিয়াতির প্রমাণ পান। ব্যাংকটির অভ্যন্তরীণ তদন্তেও মেলে এর সত্যতা। অভিযোগে ভিত্তিতে নোয়াখালী স্পেশাল সিনিয়র জজ আদালতে দুদকের পক্ষ থেকে দুটি মামলা দায়ের করা হয়। এই মামলার প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলমগীরকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১।
দুদক নোয়াখালী জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. ফারুক আহমেদ বলেন, ব্যাংকের দুটি শাখা থেকে ৯ কোটি টাকার বেশি আত্মসাতের অভিযোগে দুটি মামলা রয়েছে আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে। তাকে র্যাবের সহায়তায় গ্রেফতারের পর আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
জানতে চাইলে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর নোয়াখালীর উপ-পরিচালক ও জেলা কমান্ড্যান্ট মো. সুজন মিয়া বলেন, আমাদের বিভিন্ন সদস্যের নামে ঋণ দেখিয়ে আলমগীর হোসেন অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। বিষয়টি দুদক ও ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ তদন্তে উঠে এসেছে।







