আগামী ২০২৭ সালের সরকারি ছুটির প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। ঈদুল ফিতরে ৫ দিন এবং ঈদুল আজহায় ৬ দিন ছুটি থাকবে।
ছুটির প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার দিন সাধারণ ছুটি। আর ঈদুল ফিতরে ৫ দিন (ঈদের আগে দুই দিন ও পরে দুই দিন) এবং ঈদুল আজহায় ৬ দিন (ঈদের আগে দুই দিন ও পরে তিন দিন) নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি থাকবে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে ২০২৭ সালে বাংলাদেশের সব সরকারি ও আধা-সরকারি অফিস এবং সংবিধিবদ্ধ, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাসমূহে এ ছুটি পালন করা হবে।
এতে আরও বলা হয়, একজন কর্মচারীকে তার নিজ ধর্ম অনুযায়ী বছরে অনধিক মোট তিন দিনের ঐচ্ছিক ছুটি ভোগ করার অনুমতি প্রদান করা যেতে পারে এবং প্রত্যেক কর্মচারীকে বছরের শুরুতে নিজ ধর্ম অনুযায়ী নির্ধারিত তিন দিনের ঐচ্ছিক ছুটি ভোগ করার জন্য উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন গ্রহণ করতে হবে।
সাধারণ ছুটি, নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে যুক্ত করে ঐচ্ছিক ছুটি ভোগ করার অনুমতি দেওয়া যেতে পারে।
যেসব অফিসের সময়সূচি ও ছুটি তাদের নিজস্ব আইন-কানুন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে অথবা যেসব অফিস, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের চাকরি সরকার কর্তৃক অত্যাবশ্যক হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অফিস, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান নিজস্ব আইন-কানুন অনুযায়ী জনস্বার্থ বিবেচনা করে এ ছুটি ঘোষণা করবে।
গত ২ নভেম্বর মন্ত্রিসভা বৈঠকে ২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুমোদন দেওয়া হয়। আগামী বছর সাধারণ ও নির্বাহী আদেশের ছুটি মিলিয়ে মোট ২২ দিন সরকারি ছুটি থাকবে।
বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, জাতীয় দিবস ও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় পর্ব উপলক্ষে ১৫ দিন সাধারণ ছুটি থাকবে। এর মধ্যে ৪ দিনের ছুটি সাপ্তাহিক ছুটির দিন (২টি শুক্রবার ও ২টি শনিবার) পড়েছে। এ ছাড়া বাংলা নববর্ষ ও অন্যান্য ধর্মীয় পর্ব উপলক্ষে ১৪ দিন নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি থাকবে। এর মধ্যেও ৩ দিনের ছুটি সাপ্তাহিক ছুটির দিন (১টি শুক্রবার ও ২টি শনিবার) পড়েছে।
সব মিলিয়ে সাধারণ ও নির্বাহী আদেশের ২৯ দিন ছুটির মধ্যে ৭ দিন সাপ্তাহিক ছুটি (শুক্র ও শনিবার) হওয়ায় প্রকৃত ছুটির দিন হবে ২২ দিন।
এ ছাড়া, সরকারি কর্মচারীদের জন্য নিজ নিজ ধর্ম অনুযায়ী বছরে সর্বোচ্চ ৩ দিন ঐচ্ছিক ছুটি ভোগের সুযোগ রাখা হয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকা ও এর বাইরে কর্মরত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কর্মচারীদের প্রধান সামাজিক উৎসব (যেমন- বৈসাবি) উদযাপনের জন্য ২ দিনের ঐচ্ছিক ছুটির বিধানও রাখা হয়েছে।







