শ্রমিক আন্দোলন আর শ্রমিকদের হাতে নেই, পতিত স্বৈরাচারের নির্দেশে চলছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ছাত্রদল নেতা আবিদুল ইসলাম খান আবিদ।
তিনি বলেছেন, ‘গত কয়েক সপ্তাহ ধরে কিছু ভারতীয় ইনফ্লুয়েন্সারকে বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে। তারা ফিরে গিয়ে বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্প সম্পর্কে নেতিবাচক তথ্য আন্তর্জাতিকভাবে প্রচার-প্রসারের চেষ্টা চালিয়েছেন। আমাদের এই শিল্পকে ধ্বংস করার জন্য একদিকে যেমন দেশীয় ষড়যন্ত্র বিদ্যমান, একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রও রয়েছে।’
গতকাল মঙ্গলবার (০৩ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজ অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।
আবিদুল ইসলাম বলেন, “গার্মেন্টস এলাকাগুলোতে শ্রমিক আন্দোলনের নামে যা চলমান আছে, ইতিমধ্যে আপনারা তা দেখেছেন। সেই আন্দোলন শ্রমিকদের হাতে নেই। এই আন্দোলন সরাসরি পতিত স্বৈরাচারের নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা পরিচালনা করছে। আগুন-সন্ত্রাসের মধ্য দিয়ে আন্দোলনকে দেশবিরোধী আন্দোলনের রূপ দেওয়ার একটা অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।”
তিনি বলেন, “মজুরি বোর্ড গঠিত হয়েছে আজ থেকে দুই দিন আগে। সেই মজুরি বোর্ড থেকে খুব দ্রুতই মজুরি বাড়ানোসংক্রান্ত বিষয়েও ঘোষণা আসবে। কিন্তু আমরা কয়েক জায়গায় কথা বলে একটা তথ্য মিলাতে পেরেছি যে, পতিত স্বৈরাচারপন্থী নিষিদ্ধ সংগঠনপন্থী কিছু গার্মেন্টস মালিক রয়েছেন, যারা এই মজুরি-সংক্রান্ত বিষয়ে শ্রমিকদের ভুল বোঝানোর চেষ্টা করছেন। তাদের মাঠে রাখার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।”
তিনি আরও বলেন, “তারা বলছেন, ‘আমরা তো বেতন বাড়াতে চাই, সরকারই তো আমাদের বেতন বাড়াতে দিচ্ছে না। মজুরি বোর্ড গঠন করে তোমাদের বাসায় নিতে চাচ্ছে সরকার। শেষ পর্যন্ত বেতন বাড়াবে না।’ এ ধরনের তথ্য দিয়ে এবং শ্রমিকদের নগদ অর্থায়ন করে পতিত স্বৈরাচারের পক্ষের লোকজনকে মাঠে রেখে একটা অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির অপচেষ্টায় তারা সামগ্রিকভাবে লিপ্ত হয়েছেন।”