প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বলেছেন, গার্মেন্টস শ্রমিকদের আন্দোলনে আওয়ামী অপতৎপরতার দায় জামায়াত আমির এড়াতে পারেন না। শ্রমিকদের ন্যায্য দাবির প্রতি অবশ্যই আমাদের সংহতি আছে। তবে শ্রমিক আন্দোলনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী সহিংসতার দায় জামায়াতের আমির এড়াতে পারেন না।
আজ মঙ্গলবার দুপরে সরকারি নলডাঙ্গা ভূখু স্কুল মাঠে ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির ত্রাণ ও পুনর্বাসনবিষয়ক সম্পাদক ইসরাইল হোসেনের জানাজা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
রাশেদ খাঁন আরও বলেন, ১১ দলের লংমার্চে জামায়াতের আমির বলেছিলেন, দাবি আদায় না হলে সবকিছু তছনছ করে দেওয়া হবে। জামায়াত আমিরের এই বক্তব্যের পরেই গার্মেন্টস শ্রমিকদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ তছনছ শুরু করেছে। বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করার জন্য গার্মেন্টস শিল্পকে পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।
আমার দেশ পত্রিকা ছেঁড়ার বিষয়ে তিনি বলেন, আমার দেশ পত্রিকা একসময় আমাদের পত্রিকা ছিল। কিন্তু অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হওয়ার পর জামায়াতকে ক্ষমতায় আনতে নানারকম ন্যারেটিভ তাদের পত্রিকায় ছাড়তে লাগলো। আমার দেশ এখন জামায়াতের মুখপত্র। আমার দেশের যে হাউজ, সেটাকে এখন মানুষ বলছে জামায়াতের প্রোপাগান্ডা হাউজ।
রাশেদ খাঁন আরও বলেন, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার ভারতের গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক করেছেন এবং এই সংক্রান্ত তথ্য আমি সামনে হাজির করেছি। এছাড়াও ওই বৈঠকের তথ্য মিথ্যা হলে আমার বিরুদ্ধে মানহানি মামলা করার চ্যালেঞ্জও দিয়েছি। আমি একটা মিথ্যা ন্যারেটিভকে ছিঁড়েছি। আমি একটা অসত্যকে ছিঁড়েছি। আমার বিরুদ্ধে যে আওয়ামী লীগ ট্যাগিং করা হয়েছে আমি সেই ট্যাগিংকে ছিঁড়েছি।
গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ে রাশেদ খাঁন বলেন, দেশে জ্বালানি এবং গ্যাসের সংকট রয়েছে। সরকার বিকল্প পন্থায় এ সংকট মোকাবিলা করার চেষ্টা করছে। আওয়ামী লীগ ও অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে কোনো ধরনের গ্যাসের কূপ বা গ্যাসের অনুসন্ধান করা হয়নি। বাজারের সিন্ডিকেট সরকারকে নানাভাবে অসহযোগিতা করছে। গ্যাসের এই সমস্যা সমাধান হলে সরকার গ্যাসের মূল্য পুনঃনির্ধারণ করবে। বিএনপি সরকারকে দুটি অপশক্তি মোকাবেলা করে দেশ পরিচালনা করতে হচ্ছে। একাত্তর ও চব্বিশের পরাজিত শক্তি সরকারকে ব্যর্থ করতে অপচেষ্টা করছে।







