করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এটি একটি হাদিস; প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মুখে দাড়ি নেই, তাই হাদিস হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ মসিউর রহমান।
তিনি বলেছেন, ‘আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান যে স্লোগানটি দিয়েছেন, সেটিকে আমি হাদিস বললে অনেকে হয়তো মনে করবেন, পরবর্তী পোস্টিংয়ের জন্য তাঁকে তেল মারছি। কিন্তু আমি বলব, এটি একটি শাশ্বত বাণী।’
আজ রবিবার (১ নভেম্বর) ‘এক রুট, এক কোম্পানি’ উদ্যোগের আওতায় ঢাকার ছয়টি রুটে পরীক্ষামূলক বাস চলাচলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। রাজনৈতিক স্লোগানকে হাদিসের সঙ্গে তুলনা করায় তার এই বক্তব্যের ভিডিও ও মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।
মোহাম্মদ মসিউর রহমান বলেন, “তারেক রহমান যে স্লোগানটি দেন, এটিকে আমি যদি হাদিস বলি, তাহলে আপনারা মনে করবেন, পরবর্তী পোস্টিংয়ের জন্য আমি ওনাকে তেল মারছি। তবে এটি একটি শাশ্বত বাণী।”
তিনি বলেন, “আমার আগে আমরা, সবার আগে দেশ—এ কথা কে অস্বীকার করতে পারবেন? স্বার্থপর, যার দেশপ্রেম নেই, সেই বলতে পারে, না, আমি মানি না। আমাকে বাদ দিয়ে আমরা সবাই মিলে থাকব, আর সবার আগে থাকবে দেশ। তারপরে ‘করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এটা হাদিস, হাদিস। এটা শাশ্বত বাণী।”
মসিউর রহমান বলেন, “এটা হুজুররা বললে হাদিস হয়ে যেত। তো ওনার মুখে দাড়ি নেই, টুপি পরেন না, এজন্য হাদিস হয়নি! এটা হাদিস।”
এদিকে, ঢাকার সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে প্রাথমিকভাবে ছয়টি রুটে ৭৮০টি বাস পরিচালনার পরিকল্পনা করেছে ডিটিসিএ। এর মধ্যে চারটি রুটে নন-এসি এবং দুটি রুটে এসি ও নন-এসি বাস চলবে। নতুন বাস না নামিয়ে পুরোনো বাস রং করে ছয়টি কোম্পানির মাধ্যমে পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, গাজীপুরের শিববাড়ী থেকে ঢাকেশ্বরী মন্দির রুটে ভিআইপি পরিবহন, মিরপুর চিড়িয়াখানা থেকে কেরানীগঞ্জ রুটে চিড়িয়াখানা সিটি বাস কোম্পানি এবং ঘাটারচর থেকে ডেমরা রুটে রমজান আলী এন্টারপ্রাইজ বাস চালাবে। এ ছাড়া ঘাটারচর থেকে কাঁচপুর রুটে ফোর স্টার বাস লাইন, ঘাটারচর থেকে উত্তরা রুটে পিএনপি সিটি সার্ভিস এবং টঙ্গী থেকে ঢাকেশ্বরী মন্দির রুটে এসি বাস চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
তবে এসব রুটে আগে থেকেই একাধিক কোম্পানির বাস চলাচল করায় নতুন ব্যবস্থায় নির্ধারিত কোম্পানির বাইরে অন্য বাস চলাচল বন্ধ করা কতটা সম্ভব হবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।







