শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার হাবাসপুরে ‘পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প’ প্রস্তাবিত এলাকা পরিদর্শনে এসে তিনি এ কথা বলেন।
এ্যানি বলেন, আগামী বছরের জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি বা মার্চে রাজবাড়ীতে এসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করবেন।
গত ১৩ মে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক সভাপতি তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ‘পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প’ অনুমোদন দেওয়া হয়।
সে সময় পনিসম্পদ মন্ত্রী জানিয়েছিলেন, সরকারের মাস্টারমাইন্ড প্রকল্প পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা। সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে প্রাথমিকভাবে পাঁচ বছর মেয়াদি এই প্রকল্প দ্বারা সরাসরি উপকার পাবে দেশের ২৪টি জেলার প্রায় সাত কোটি মানুষ।
১৯৬০-এর দশক থেকে ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল ও রাজশাহী অঞ্চলের নদী, কৃষি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের দাবি ওঠে।
২০০০ সাল পর্যন্ত সময়ে এ প্রকল্প প্রণয়নের লক্ষ্যে চারটি সমীক্ষা পরিচালিত হয়। পরে ২০০২ সালে প্রাক-সম্ভাব্যতা সমীক্ষার মাধ্যমে সম্ভাব্য স্থান নির্ধারণ করা হয়।
২০০৪ সালে ৪৫ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি বিস্তারিত সমীক্ষা প্রকল্প গ্রহণ করা হয়, যা ২০১৩ সালে সম্পন্ন হয়। এর ভিত্তিতে প্রকল্পের পূর্ণাঙ্গ নকশা চূড়ান্ত করা হয়। প্রকল্পটির বাস্তবায়নকাল নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৬ সাল থেকে জুন ২০৩৩ পর্যন্ত।







