স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জোট না করে এককভাবে প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জামায়াতে ইসলামী—এমন দাবি করেছেন অ্যাক্টিভিস্ট ওয়ালিউল্লাহ কাওসার। তাঁর মতে, জামায়াতকে জোটের ভিত্তিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ছাড় দিতে রাজি করাতে না পেরে এনসিপিও এককভাবে নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এসব মন্তব্য করেন ওয়ালিউল্লাহ কাওসার।
ঢাকা সিটি নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এখানে বিষয়টি আরও বেশি আকর্ষণীয়। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে জামায়াতের প্রার্থী সাদিক কায়েমের বিপরীতে আসিফ মাহমুদ নিজে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তবে জামায়াত তাঁকে ছাড় না দেওয়ায় দক্ষিণে নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী এবং উত্তরে আসিফ মাহমুদকে প্রার্থী করছে এনসিপি।
ওয়ালিউল্লাহ কাওসারের দাবি, সাদিক কায়েমকে ঘিরে আসিফ মাহমুদের ফোরামের কর্মীদের নেতিবাচক প্রচারণা এবং রাজনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা ছিল। ৫ আগস্টের সংবাদ সম্মেলন থেকে শুরু করে ডাকসু নির্বাচন পর্যন্ত সাদিককে মূলধারার রাজনীতিতে জায়গা না দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি।
তবে শেষ পর্যন্ত ডাকসু নির্বাচনে শিক্ষার্থীদের সমর্থনে ভিপি নির্বাচিত হন সাদিক কায়েম। পরবর্তী সময়ে শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করে তিনি আলাদা গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করেছেন বলেও উল্লেখ করেন ওয়ালিউল্লাহ কাওসার।
তাঁর মতে, রাজনৈতিকভাবে আটকে রাখার চেষ্টা করা হলেও সাদিক কায়েম এখন আরও বড় রাজনৈতিক মাঠে দাঁড়িয়েছেন। ডাকসুর ভিপি থেকে সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী হওয়ায় তাঁর দলীয় পরিচয়ের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তাও আলোচনায় এসেছে।
বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে সাদিক কায়েমকে ঘিরে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, জনপ্রিয়তা ও ভোট এক বিষয় নয়। সিটি নির্বাচনে সাংগঠনিক সক্ষমতা, প্রচারণা, প্রার্থীর যোগ্যতা এবং ভোটের দিনের ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন বিষয় গুরুত্বপূর্ণ হবে।
ওয়ালিউল্লাহ কাওসারের প্রত্যাশা, সাদিক কায়েম এবারও নির্বাচনে চমক দেখাতে পারবেন। তাঁর জনপ্রিয়তা ভোটে রূপ নিলে এই নির্বাচন তাঁর রাজনৈতিক উত্থানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে উঠতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।







