সাতক্ষীরার চন্দনপুর-কলারোয়ার গ্রামীণ ব্যাংক শাখার ১৯৩ গ্রাহকের ৯ লাখ টাকা আত্মসাতের দায়ে ব্যাংকটির সাবেক তিন কর্মকর্তার ৩০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন খুলনার বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালত। একই মামলায় অপর এক আসামিকে ১৫ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা পৃথক দুই মামলায় বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে আদালতের বিচারক মো. আদীব আলী এ রায় ঘোষণা করেন। এসময় কোনো আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।
গ্রামীণ ব্যাংকের সুদহার অন্য ব্যাংকের সঙ্গে সামঞ্জস্যে রাখতে রুল
রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী মোহাম্মদ ইয়াসিন আলী।
সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন গ্রামীণ ব্যাংকের সাতক্ষীরা জেলার চন্দনপুর-কলারোয়া শাখার সাবেক কর্মকর্তা ইনছার আলী, মমতাজ পারভিন, রনেশ বিশ্বাস ও রুনা লায়লা।
দুদক খুলনা সমন্বিত কার্যালয়ের সরকারি কৌঁসুলি মো. মোফাককার হোসেন মনি জানান, একটি মামলায় ১২৬ জন গ্রাহকের পাঁচ লাখ ৬১ হাজার টাকা আত্মসাতের দায়ে তিনজনকে ১৫ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অপর মামলায় ৬৭ জন গ্রাহকের তিন লাখ ৫৯ হাজার টাকা আত্মসাতের দায়ে আরও ১৫ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরামর্শক হলেন ঢাবির সাবেক ভিসি অধ্যাপক নিয়াজ
একই সঙ্গে দুটি মামলায় আত্মসাত করা টাকার সমপরিমাণ জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে আরও দুই বছর করে কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে আসামিদের।
দুটি মামলার বাদী দুদকের তৎকালীন উপসহকারী পরিচালক এস এম শামীম ইকবাল।







