আজ রোববার (৩ মে) থেকে শুরু হচ্ছে চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন, যা চলবে ৬ মে পর্যন্ত। এবারের সম্মেলনে মোট ৩৪টি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে এবং জেলা প্রশাসকদের প্রস্তাব থেকে বাছাই করা ৪৯৮টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেবেন সরকারের নীতিনির্ধারকরা।
রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উদ্বোধনের পর বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে মুক্ত আলোচনায় অংশ নেবেন তিনি।
মন্ত্রিপরিষদসচিব বলেন, নতুন সরকারের কাছে জনগণের প্রত্যাশাগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে বিভিন্ন প্রস্তাব আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হবে। নির্ধারিত অধিবেশনের পাশাপাশি রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদের স্পিকার এবং প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন ডিসিরা।
প্রস্তাবগুলোর মধ্যে স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন সর্বাধিক গুরুত্ব পেয়েছে। জেলা প্রশাসকরা হাসপাতালগুলোতে অ্যান্টিভেনম ইনজেকশন সহজলভ্য করা, প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালে অন্তত একটি অ্যাম্বুল্যান্স নিশ্চিত করা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া তথ্য যাচাই ব্যবস্থা চালু করা এবং জেলা কারাগারে পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও জনবল নিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছেন।
নাসিমুল গনি আরও বলেন, জেলা প্রশাসকদের রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হয়ে দায়িত্ব পালন করতে হবে। ব্যক্তিগত রাজনৈতিক মত থাকতে পারে, তবে সরকারি কাজে এর প্রভাব পড়া উচিত নয়।
সম্মেলনের সূচি অনুযায়ী, প্রথম দিনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ স্বাস্থ্য, শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা এবং আইন মন্ত্রণালয়ের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে। দিনশেষে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন ডিসিরা।
দ্বিতীয় দিনে অর্থ মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন বিভাগের কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হবে এবং জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকারের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হবে। তৃতীয় দিনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাত নিয়ে আলোচনা হবে এবং প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন জেলা প্রশাসকরা।
শেষ দিনে স্বরাষ্ট্র ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়সহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা শেষে রাজধানীর চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের এক সভা অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে ডিসিসহ কর্মকর্তারা অংশ নেবেন।







