ইরানের তেল রপ্তানিতে সহায়তার অভিযোগে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এবার ইরানের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মোহাম্মদ হোসেইন শামখানির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি শিপিং ও পরিবহন নেটওয়ার্ককে লক্ষ্য করে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় জানায়, ৫০টির বেশি ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও জাহাজের ওপর এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, তারা ইরানের তেল বিদেশে পাঠাতে এবং আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে যেতে সহায়তা করেছে।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেন, এই নিষেধাজ্ঞার উদ্দেশ্য হলো ইরানের তেল রপ্তানির সঙ্গে জড়িত আর্থিক ও পরিবহন নেটওয়ার্ক দুর্বল করে দেওয়া।
মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, এই নেটওয়ার্ক শুধু তেল পরিবহনই নয়, আন্তর্জাতিক কনটেইনার পরিবহন ও বিভিন্ন পণ্যের বাণিজ্যের সঙ্গেও জড়িত।
২০২৫ সালের জুলাই থেকে এখন পর্যন্ত এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ২০০-এর বেশি ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও জাহাজের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
নতুন নিষেধাজ্ঞার আওতায় সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, ভারত, হংকং, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ এবং সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিসের কয়েকটি শিপিং কোম্পানি, পরিবহন প্রতিষ্ঠান, জাহাজ পরিচালনাকারী ব্যক্তি ও আর্থিক মধ্যস্থতাকারীরা রয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ইরানের তেল ও অন্যান্য পণ্য পরিবহনে সহযোগিতা করছে।







