যুক্তরাষ্ট্রের নতুন দফার বিমান হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত একাধিক মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। নতুন এ উত্তেজনার কেন্দ্রে রয়েছে হরমুজ প্রণালি, যার মাধ্যমে বিশ্বের মোট অপরিশোধিত তেল বাণিজ্যের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিচালিত হয়।
ইরানের সামরিক মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আক্রমিনিয়া বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি কখনোই পুনরায় খুলে দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, প্রণালিতে ইরানের অধিকার রক্ষায় দেশটির বাহিনী শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাবে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় কমান্ড জানায়, তারা টানা তৃতীয় রাতের মতো ইরানে হামলা চালিয়েছে। দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে শক্তিশালী বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কংগ্রেসকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে প্রতিরক্ষামূলক হামলা চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর হাতে আসা এক চিঠিতে বলা হয়েছে, এ সিদ্ধান্তের ফলে প্রশাসন নতুন করে ৬০ দিনের সময়সীমা পাবে। এরপর হামলা অব্যাহত রাখতে কংগ্রেসের অনুমোদন নিতে হবে।
ট্রাম্প আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করবে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিনিময়ে ওই পথ দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের প্রতিটি পণ্যের ওপর বিশ শতাংশ হারে অর্থ আদায় করবে। পাশাপাশি ইরানের বন্দরগুলোর ওপর অবরোধ পুনর্বহাল এবং ইরান বা ইরানের গ্রাহকদের জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেওয়ার কথাও জানান তিনি।
ট্রাম্পের এ ঘোষণার সমালোচনা করে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা বলেন, এটি কার্যত জলদস্যুতা।







