২০২৬ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশের যাবতীয় কারিগরি প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল ১০টায় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হবে বৃত্তি পরীক্ষার ফল। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রশাসন বিভাগের উপ-পরিচালক এ এস এম সিরাজুদ্দোহা বিষয়টি জানিয়েছেন।
এবারের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় মোট ৬ লাখ ৪০ হাজারের বেশি পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছিল। যার মধ্যে সাড়ে পাঁচ লাখ শিক্ষার্থী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এবং প্রায় ৯০ হাজার শিক্ষার্থী বেসরকারি কিন্ডারগার্টেন থেকে অংশ নেয়।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রশাসন বিভাগের উপ-পরিচালক এ এস এম সিরাজুদ্দোহা জানিয়েছেন, ফল প্রস্তুতের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। সব প্রক্রিয়া ঠিক থাকলে ৯ জুলাই সকাল ১০টায় সচিবালয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করা হবে।
বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীরা ঘরে বসেই ২ উপায়ে নিজেদের রেজাল্ট ও মার্কশিট সংগ্রহ করতে পারবেন।
অনলাইন পদ্ধতি: অনলাইনে মার্কশিটসহ রেজাল্ট দেখার অফিশিয়াল মাধ্যম হলো আইপিইএমআইএস পোর্টাল (IPEMIS portal login)। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট (dpe gov bd scholarship result) অথবা সরাসরি (ipemis.dpe.gov.bd, ipemis.dpe.gov.bd) লিংকে প্রবেশ করে রোল নম্বর, জেলা ও উপজেলার তথ্য দিয়ে সহজেই ফলাফল দেখতে পাবেন।
মোবাইল এসএমএস পদ্ধতি: অনলাইনের পাশাপাশি মোবাইল মেসেজের মাধ্যমেও ফলাফল জানা যাবে। টেলিটক মোবাইল অপারেটরের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে এসএমএস-এর কোড ও নিয়মটি দ্রুতই চূড়ান্ত করা হবে এবং পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই তা বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ করবে অধিদপ্তর।
মেধাক্রম ও জেলা-উপজেলাভিত্তিক কোটা অনুযায়ী, এ বছর সর্বমোট ৮২ হাজার ৫০০ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তির জন্য নির্বাচিত করা হবে।সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কোটায় বৃত্তি পাবে মোট বৃত্তির ৮০% অর্থাৎ ৬৬ হাজার সরকারি স্কুলের শিক্ষার্থী। এখানে প্রতি ৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১ জন বৃত্তি পাবে। অন্যদিকে, বেসরকারি বা কিন্ডারগার্টেন কোটায় পাবে মোট বৃত্তির ২০% অর্থাৎ ১৬ হাজার ৫০০ বেসরকারি স্কুলের শিক্ষার্থী। এখানে প্রতি সাড়ে ৫ জনে একজন শিক্ষার্থী বৃত্তি পাওয়ার সুযোগ পাবে।
মেধার ভিত্তিতে বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ট্যালেন্টপুলে স্থান পাবে ৩৩ হাজার শিক্ষার্থী এবং সাধারণ গ্রেডে পাবে ৪৯ হাজার ৫০০ জন শিক্ষার্থী। ট্যালেন্টপুল বৃত্তিপ্রাপ্তদের প্রতি মাসে ৩০০ টাকা এবং বার্ষিক এককালীন ২২৫ টাকা আর্থিক অনুদান দেয়া হবে। এছাড়া, সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তদের প্রতি মাসে ২২৫ টাকা এবং বার্ষিক এককালীন ২২৫ টাকা অনুদান দেয়া হবে। বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের পরবর্তী দুই বছর (৬ষ্ঠ এবং ৭ম শ্রেণী পর্যন্ত) এই সরকারি আর্থিক ও উপবৃত্তি সুবিধা দেয়া হবে।







