আগামী ২০২৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে সরকারি ও বেসরকারি স্কুলে শিক্ষার্থী ভর্তিতে লটারির পরিবর্তে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ সিদ্ধান্তকে ঘিরে অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অনেকেই এখন থেকেই সন্তানদের ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য কোচিংয়ে পাঠাতে শুরু করেছেন।
তবে বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা হবে ‘নামমাত্র’ এবং এ জন্য কোচিং সেন্টারে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। এ ভর্তি পরীক্ষাটা হবে একটি নামমাত্র পরীক্ষা। এর জন্য কোচিং সেন্টারে যাওয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না। আমরা ক্যাচমেন্ট এরিয়া এবং নামমাত্র পরীক্ষার সমন্বয়ে সবাইকে ভর্তির আওতায় নিয়ে আসব।’
এদিকে একই সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী জানান, ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আগামী ২ জুলাই থেকে শুরু হবে। এবার সব সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘এইচএসসিতে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার সব ধরনের ব্যবস্থা করেছি। এখন দেখি কী হয়। প্রত্যেকটা বোর্ডের একটা প্রতিযোগিতা থাকে, মূলত সেজন্য এমন সিদ্ধান্ত।’
পরীক্ষা চলাকালে ঝড়, অতিবৃষ্টি, বন্যা কিংবা অন্য কোনো দুর্যোগ দেখা দিলে বিকল্প ব্যবস্থাও রাখা হবে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রশ্নপত্র আগেই পৌঁছে দেওয়া হবে। পরীক্ষার সময় কোনো সমস্যা হলে তা মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা সংশ্লিষ্টদের দেওয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন– প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী।







