পুলিশ সপ্তাহে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম)’ ও ‘রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম)’ প্রদান স্থগিত করা হয়েছে। চলতি বছর বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুলিশ পদকের জন্য ১০৭ জন কর্মকর্তা ও সদস্যকে মনোনীত করা হয়েছিল।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পদকের তালিকায় বিতর্কিত ও বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সুবিধাভোগী হিসেবে পরিচিত কয়েকজন কর্মকর্তার নাম ওঠে আসায় শেষ পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারের নীতি নির্ধারণ মহলের নজরে আসার পর পদকের জন্য সরকারি অর্ডার (জিও) জারি করা হয়নি। তাই এ ব্যাপারে কোনো প্রজ্ঞাপন হয়নি। পরে আরও যাচাই–বাছাই করে পদক দেওয়া হবে।
আজ শনিবার রাতে এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি পদ মর্যাদার একজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, রোববার পদক দেওয়া হচ্ছে না। তবে পুরো বিষয়টি একটি প্রক্রিয়ারে মধ্যে আছে। হয়তো যারা পদকের জন্য বিবেচিত হয়েছেন গভীর যাচাই-বাছাইয়ে তাদের মধ্যে থেকে কয়েকজন বাদ পড়তে পাড়েন, আবার নাও পড়তে পারেন, আবার নতুন করে কেউ যুক্ত হতে পারেন।
পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি খন্দকার রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি আজ সকালে বিদেশে চলে গেছেন। তিনি বিদেশ যাওয়ায় জিও করা সম্ভব হয়নি। আর আরও একটু যাচাই-বাছাই করা করে পদক দেওয়া হবে।’
সূত্রে জানা, পুলিশ সপ্তাহ শুরু হলে পদক না দেওয়ার ঘটনা নজিরবিহীন। বিষয়টি নিয়ে পুলিশের অভ্যন্তরে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
পুলিশে সাহসিকতা, কর্মদক্ষতা এবং সেবামূলক কাজের স্বীকৃতি হিসাবে সাধারণত ‘পুলিশ পদক’ দেওয়া হয়। অত্যন্ত সম্মানজনক এই পদকটি পাওয়ার কথা চৌকস পুলিশ সদস্যদের। কাজের স্বীকৃতি ও কর্মস্পৃহা বাড়াতেই এই পদক দেওয়া হয়।
এবার পদকের তালিকা ঘোষণার পর থেকে কেউ কেউ অভিযোগ করেন- রাজনৈতিক যোগ্যতা ও তদবিরে অনেকে পদকের জন্য বিবেচিত হয়েছেন। এ নিয়ে মাঠ পর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অনেকে মাঠে ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করেও পদক পাননি।







