রাষ্ট্রের সকল ক্ষেত্রে তফসিলি-দলিতদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে: আখতার

Post Image

রাষ্ট্রের সকল ক্ষেত্রে তফসিলি ও দলিত জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিক আখতার হোসেন। 

আজ শনিবার (২ মে) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে দলিত, হরিজন, তফসিলি  ও অন্যান্য প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণে এনসিপির সহযোগী সংগঠন ‘জাতীয় জনজাতি জোট’-এর আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন তিনি। 

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম অঙ্গীকার ছিল—সাম্য, মানবিক মর্যাদা এবং সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠা। স্বাধীনতার পর আমাদের অর্থনীতি বেড়েছে, কাঠামোগত উন্নয়ন হয়েছে, বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমরা অগ্রসর হয়েছি। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, সাম্য, মানবিক মর্যাদা এবং সামাজিক সুবিচারের যে অঙ্গীকার ছিল, সেই জায়গায় সবচেয়ে বেশি পিছিয়ে রয়েছে দলিত, হরিজন ও তফসিলি সম্প্রদায়ের মানুষ। তাদের জন্য আলাদা জনগণনা এবং সঠিক তথ্যভিত্তিক নীতি প্রণয়ন জরুরি। পাশাপাশি রাষ্ট্রের সকল ক্ষেত্রে তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা প্রত্যক্ষ করেছি যে এই জনগোষ্ঠীর মানুষ এখনো ন্যূনতম মানবিক মর্যাদাও পান না। গ্রামাঞ্চলে দেখা যায়, যারা পরিচ্ছন্নতার কাজ করেন, তারা কাজ শেষে কোনো হোটেলে ঢুকে খেতে পারেন না; তাদের বাইরে বসে খেতে হয়। যদিও কিছু পরিবর্তন এসেছে, তবুও এই বৈষম্য পুরোপুরি দূর হয়নি।

রংপুর-৪ আসনের এই সংসদ সদস্য বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে তফসিলি ও দলিত জনগোষ্ঠীকে অনেক সময় ভোটব্যাংক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে, কিন্তু তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা হয়নি। অনেক সময় সাম্প্রদায়িক সহিংসতার শিকারও প্রথমে তারাই হন। আমরা চাই এই বৈষম্য থেকে মুক্তি। আমাদের দলের নামের মধ্যেই ‘নাগরিক’ শব্দটি রয়েছে—এর অর্থ হলো, আমরা প্রত্যেক মানুষকে ধর্ম, বর্ণ বা পরিচয় দিয়ে নয়, একজন নাগরিক হিসেবে দেখতে চাই। এখনো এই জনগোষ্ঠীর অনেক মানুষ শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত। কেউ উচ্চশিক্ষা অর্জন করলেও স্থায়ী ঠিকানা না থাকার কারণে চাকরির সুযোগ পান না। ফলে পরবর্তী প্রজন্ম নিরুৎসাহিত হয় এবং তারা আবার পূর্বপুরুষদের পেশায় ফিরে যেতে বাধ্য হয়।

দলিত, হরিজন, রবিদাস ও তফসিলি জনগোষ্ঠীর সাংবিধানিক অধিকার, মানবাধিকার, সামাজিক মর্যাদা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে যাত্রা শুরু করা ‘জাতীয় জনজাতি জোট’-এর কমিটিতে ডেভিড রাজুকে আহ্বায়ক ও কৈলাশচন্দ্র রবিদাসকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। এছাড়াও কমিটির অন্যলা হলেন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রাজেন্দ্র কুমার দাস, যুগ্ম আহ্বায়ক মানিক বরাই, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব অরুণা রানী দাস, যুগ্ম সদস্য সচিব নিপু দাস এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হৃদয় দাস।

এই বিভাগের আরও খবর

জাতীয়

সর্বশেষ খবর

উন্মুক্ত হলো জুলাই স্মৃতি জাদুঘর, দর্শনার্থীদের ভিড়

সেদিন ছিল স্বপ্নের স্বপ্নপূরণ কতদূর

চুয়েটের শহীদ আবু সাঈদ হল ক্যান্টিনে তালা

পঞ্চম লড়াইয়ে সরকার পতন

দুই বছর পরও শহীদ পরিবারে হাহাকার

পিছিয়ে থেকেও মেসির জোড়া গোলে মায়ামির অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন

হরমুজ প্রণালীতে জাহাজের রুট নিয়ে একমত ইরান ও ওমান

দিল্লিতে শেখ হাসিনাকে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ দেওয়ায় ঢাকার ক্ষোভ

সর্বাধিক পঠিত

ভোট দিতে ঢাকা ছাড়ছেন মানুষ, চাপ বাড়ছে মহাসড়কে

জামায়াত আমিরের সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

১৩ নভেম্বর ঘিরে রাজধানীতে সতর্ক অবস্থানে ৫০ থানার পুলিশ

৪ ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের নিয়োগ বাতিল

ইসলামী ব্যাংকের উপশাখায় আমানত প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা

শতাধিক গুম–খুনের মামলায় জিয়াউল আহসানের বিচার শুরু

‘হ্যাঁ’ নাকি ‘না’ ভোট দেবেন—মন ঠিক করে আসুন

ফোনালাপে ইরানের প্রেসিডেন্টকে যা বললেন সৌদি যুবরাজ

সংসদে দেখে বক্তব্য দেওয়া যাবে না, বিপাকে হাতপাখার এমপি

জাতীয় পতাকা উত্তোলন দিবস আজ