জুলাই অভ্যুত্থান রক্ষায় প্রয়োজনে জীবন দেওয়ার কথাও বলেছেন ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, জুলাইয়ের সেই আন্দোলন টিকে না থাকলে বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, জাতীয় নির্বাচন এবং বর্তমান সরকারের অস্তিত্বও প্রশ্নের মুখে পড়বে।
শুক্রবার (৬ মার্চ) রাজধানীর ফারস্ হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট-এর সিন্দুর হলে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে খেলাফত মজলিস।
বিরোধীদলীয় নেতা আরও বলেন, সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে জুলাইয়ের চেতনা রক্ষা করতে হবে এবং সেই লক্ষ্যে তারা কাজ করে যাবেন।
বাংলাদেশে আর কাউকে ফ্যাসিস্ট হতে দেওয়া হবে না। কেউ অন্যায় করে আর পার পাবে না।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নেতৃবৃন্দ, আলেম, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিকসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অনেকে। এতে স্বাগত বক্তব্য দেন খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের।
সভাপতির বক্তব্যে খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ বলেছেন, ‘বাংলাদেশের নবগঠিত সরকার জুলাই সনদ ও গণভোট নিয়ে অপরাজনীতি শুরু করতে চায়। আদালতের ঘাড়ে সওয়ার হয়ে গণভোটকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা করা হলে তার পরিণতি ভালো হবে না। আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, জুলাই সনদে স্বাক্ষরকারী হিসেবে ক্ষমতাসীন দলকে অবশ্যই অঙ্গীকার পূরণ করতে হবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘গণভোটে বিশাল ব্যবধানে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে।
তাই গণরায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সরকারকে সংসদের প্রথম অধিবেশনে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন বিল উত্থাপন করতে হবে। জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গড়িমসি করলে জনগণ ক্ষমা করবে না। আমরা বাংলাদেশে আর কখনো ফ্যাসিবাদী সরকার দেখতে চাই না।







