বিদেশে বসে বাংলাদেশের ভাগ্য নির্ধারণের দিন শেষ : সারজিস আলম

Post Image

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় নির্বাচনি জোটের শরিক দল থেকে পঞ্চগড়-১ আসনের মনোনীত প্রার্থী সারজিস আলম বলেছেন, বিদেশে বসে বাংলাদেশের ভাগ্য নির্ধারণের দিন আর নেই। শেখ হাসিনা ভারতে বসে কিংবা দেশের বাইরে অন্য কোনো দেশ বা এজেন্সি বসে বাংলাদেশের সিদ্ধান্ত নেবে—সে সময় এখন আর নেই।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে পঞ্চগড় পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় উঠান বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

সারজিস আলম বলেন, এই তরুণ প্রজন্ম হচ্ছে অভ্যুত্থানের প্রজন্ম, বিপ্লবী প্রজন্ম। তারা এখনও ঘুমিয়ে যায়নি, তারা জেগে আছে। প্রয়োজনে যে কোনো সময় তারা মাঠে নামবে। বাইরে বসে অনেক কিছু বলা যায়, সাহস থাকলে বাংলাদেশে এসে বলুক।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রশাসনসহ অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া সব পক্ষই একটি সুষ্ঠু, স্বচ্ছ নির্বাচন চায়। এই নির্বাচনের মধ্য দিয়েই দেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এগিয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

পঞ্চগড়ের তরুণদের উদ্দেশে সারজিস আলম বলেন, যারা বিগত এক বছরে জুলুম করেছে, চাঁদাবাজি করেছে, মিথ্যা মামলা দিয়ে মানুষকে হয়রানি করেছে তাদের হাতে দেশ তুলে দেওয়া হবে নাকি যারা ইনসাফের পক্ষে লড়াই করেছে, সিদ্ধান্ত এখন তরুণদের। তিনি আরও বলেন, যারা তিনবার শুধু কথা দিয়ে গেছে, নির্বাচনের পর হারিকেন ধরেও যাদের খুঁজে পাওয়া যায়নি, তাদের ওপর আবার আস্থা রাখা হবে নাকি যারা দুঃখে-কষ্টে মানুষের পাশে থেকেছে, এই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

তিনি দাবি করেন, মাঠপর্যায়ে মানুষের ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। ১১ দল নিয়ে গঠিত ঐক্যবদ্ধ জোটের প্রতি মানুষের আস্থার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, এই ১১ দল অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে মানুষের ওপর জুলুম করেনি, চাঁদাবাজি করেনি, মামলা বাণিজ্য করেনি। মানুষ বলছে, ভোটের দিন ব্যালটের মাধ্যমেই তারা তাদের জবাব দেবে।

প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও বক্তব্য দেন সারজিস আলম। তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপির প্রার্থীরা নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করলেও প্রশাসন কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না। ফেস্টুনের নির্ধারিত মাপ লঙ্ঘনের বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রশাসনের নির্দেশের পরও সেগুলো অপসারণ করা হয়নি।

এ সময় তিনি প্রশাসনের উদ্দেশে বলেন, সব রাজনৈতিক দলের ক্ষেত্রে যদি সমানভাবে আইন প্রয়োগ করা না যায়, তাহলে দায়িত্বে থাকার নৈতিক অধিকার নেই। তবে নিজের দলের বিষয়ে কোনো আপত্তি থাকলে সঙ্গে সঙ্গে সংশোধনের আশ্বাস দেন তিনি।

বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ তুলে সারজিস আলম বলেন, সংখ্যালঘু ও ব্যবসায়ীদের ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। এসব আচরণকে তিনি স্বৈরাচারী মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, হুমকি-ধমকি দিয়ে ভোট আদায় করার সময় শেষ। মানুষ এবার ইনসাফের পক্ষে থাকবে, জুলুমের বিরুদ্ধে থাকবে।

এই বিভাগের আরও খবর

সারাদেশ

News Image

ফিলাডেলফিয়ায় বৈশাখী মেলা

সোমবার, ৩০ জুন, ২০২৫

সর্বশেষ খবর

বিএনপি নেতার চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ এলাকাবাসি, রক্ষা পেতে মানববন্ধন

পিলখানায় সেনাহত্যার ‘প্রকৃত রহস্য’ উদ্ঘাটন দাবি জামায়াতের

প্রবাসীদের মরদেহ বিনা খরচে দেশে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে

ঢাবি শিক্ষার্থীর ওপর ‘পুলিশি হামলার’ প্রতিবাদে শাহবাগ থানার সামনে বিক্ষোভ

চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণ : মায়ের পর মারা গেলেন ছেলেও

বান্দরবানে গোলাগুলিতে নিহত ১

নাটোরে বিএনপির কার্যালয় ভাঙচুর করেছে আ. লীগ নেতাকর্মীরা

শ্রীমঙ্গলে খাল খননে উদ্ধার মুক্তিযুদ্ধের সময়কার মর্টার শেল

সর্বাধিক পঠিত

কিস্তি দিতে না পারায় গৃহবধূর আংটি-বদনা নিয়ে গেলো এনজিও

মুফতি ফয়জুল করীমের আসনে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার

উপজেলা সেক্রেটারিসহ ইসলামী আন্দোলনের শতাধিক নেতাকর্মী যোগ দিলেন জামায়াতে

কমেছে স্বর্ণের দাম

খালেদা জিয়াকে নিয়ে কটূক্তি, হেলেনা জাহাঙ্গীরকে গ্রেপ্তারের দাবি

বাসররাতে মুখ ধোয়ার পর কনেকে চিনতে পারলেন না বর

মিয়া গোলাম পরওয়ারের পেশা ব্যবসা, রয়েছে কোটি টাকার স্থাবর সম্পত্তি

ডেএসডির জনসভায় আসার পথে হামলা, গুলিবিদ্ধসহ আহত ১৫

খুলনার আওয়ামী লীগ নেতা কাজী ফয়েজ মাহমুদ গ্রেফতার

জামায়াত ক্ষমতায় গেলে সাঈদী হত্যার বিচার করা হবে : জামায়াত আমির