ভাঙনের শঙ্কা জামায়াতে ইসলামী জোটে

Post Image

ভাঙনের মুখে পড়েছে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ইসলামী জোট। চরমোনাইর পীরের কারণে মূলত এই জোট ভাঙনের মুখে পড়েছে। জামায়াতে ইসলামী তাদের ৪০টি আসন ছেড়ে দিতে রাজি হলেও চরমোনাই তাতে রাজি নয়। চরমোনাইর পীর সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিমের নেতৃত্বাধীন ইসলামী অন্দোলনের ধারণা, দেশব্যাপী তাদের বিশাল ভোট ব্যাংক রয়েছে। তাই তারা আরও বেশি আসনের দাবিদার। এই অবস্থানে তারা অনড় থাকায় দফায় দফায় বৈঠক করেও কোনো সমঝোতায় পৌঁছা যাচ্ছে না। এমনকি জামায়াত ৪০ অসনের পর কিছু আসন উন্মুক্ত রাখতেও রাজি ছিল । কিন্তু চরমোনাই রাজি না হওয়ায় ভাঙনের মুখে পড়েছে জোট ।

এদিকে মাওলানা মামুনুল হকের নেতৃত্বাধীন খেলাফত মজলিসও প্রকৃত অবস্থানের চেয়ে উচ্চাকাঙ্ক্ষী হওয়ায় তারাও বেশি আসন দাবি করছে। তাদের সঙ্গেও জামায়াতের চূড়ান্ত বনিবনা এখনো হয়নি। শেষ পর্যন্ত দল দুটি ১১ দলীয় জোট থেকে বেরিয়ে আলাদা নির্বাচন করতে পারে বলে জানা গেছে।

গতকাল মঙ্গলবার আসন ভাগাভাগি শেষ করে ১১ দলের যৌথ ঘোষণা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেটা সফল হয়নি। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আজও কোনো সমঝোতা হয়নি।

এদিকে জামায়াতে ইসলামী প্রাথমিক আসন সমঝোতার ভিত্তিতে চরমোনাইর পীর ও মামুনুল হকের দলের প্রার্থীদের বিপরীতে এক ডজনেরও বেশি আসনে তাদের কোনো প্রার্থী দেয়নি। এই ছাড়ের ফলে দল দুটি জামায়াতের সাথে বার্গেনিং-এর বাড়তি সুবিধা পাচ্ছে।

৮ দলীয় ইসলামী জোটের ব্যানারে দীর্ঘদিন ধরে জামায়াত আন্দোলন করে আসছিল এবং জোটবদ্ধ নির্বাচনের ঘোষণা দিয়ে অনেকদূর এগিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু জুলাই যোদ্ধাদের সংগঠন এনসিপি, বীর মুক্তিযোদ্ধা অলি আহমদের নেতৃত্বাধীন এলডিপি ও মজিবুর রহমান মনজু ও ব্যারিস্টার ফুয়াদের নেতৃত্বাধীন এবি পার্টি যুক্ত হয়ে ১১ দলীয় জোট গঠনের পরই ইসলামী দলগুলোর সাথে তাদের মনোমালিন্য সৃষ্টি হয়।

এনসিপিসহ নতুন ৩ দলের সাথে জামায়াতের ঐক্য হওয়ার পর থেকেই জামায়াত জোটে ইসলামী অন্য দলগুলোর গুরুত্ব কমতে থাকে। ভাগে কম সিট পাওয়ার ভয়ে জোটবদ্ধ নির্বাচনের ব্যাপারে তাদের আগ্রহও কমতে থাকে। কারণ তারা বুঝতে পারে এনসিপি জামায়াত জোটে যোগ দেওয়ায় তাদের পক্ষে জামায়াতকে চাপে রাখার শক্তিও কমে গেছে।

মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনের আগে ১১ দলীয় জোট সমঝোতার ভিত্তিতে ১২ ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনের ঘোষণা দিলেও পর দিন দেখা যায় ৩০০ আসনের বিপরীতে জোটের প্রায় ৬০০ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তখন জোটের পক্ষ থেকে বলা হয় সময় কম পাওয়ায় এটা হয়েছে। আলোচনা করে তারা ৩০০ আসন চুড়ান্ত করবেন। এনিসিপিকে ৩০ আসন ছেড়ে দেয় জামায়াত। এনসিপি আনুষ্ঠানিকভাবে ৩০ অসন মেনে নিয়েছে।

জামায়াতের নেতৃত্বে ৮ ইসলামী দলের জোটে চরমোনাইর পীরের ইসলামী আন্দোলন, মামুনুল হকের বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ছাড়াও খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলন, নেজামে ইসলাম পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি(জাগপা) ও বাংলাদেশ ডেভেলাপমেন্ট পার্টি রয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর

রাজনীতি

সর্বশেষ খবর

দলীয় আইজিপি হওয়ার চেয়ে পোশাক খুলে বিএনপি করেন: মনিরা শারমিন

দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে: বিরোধীদলীয় নেতা

‘সরকারদলীয় সংগঠনগুলোর সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে প্রশ্রয় দিচ্ছে প্রশাসন’

হাসিনাকে ভারত এই সুযোগ কেন দিল, প্রশ্ন বিএনপির

গ্যাসের দাম এক টাকাও বাড়ালে সরকার টিকতে পারবেনা: নাহিদ ইসলাম

সচিবালয়ের সামনে ১১-দলীয় ঐক্যের অবস্থান, পুলিশি বাধায় ‘ধাক্কাধাক্কি’

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ ঘোষণা

সচিবালয়ের সামনে অবস্থান নিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য

সর্বাধিক পঠিত

সিইসির সঙ্গে বিএনপির প্রতিনিধিদলের বৈঠক বিকেলে

গাজীপুরে বিএনপি প্রার্থীর প্রচারণায় তামিম ইকবাল

বিলুপ্ত কমিটির নেতাকর্মীদের মিষ্টি বিতরন, তবুও নূরের পক্ষে নয়

হাসিনা-কামালের সাজা বাড়াতে করা আপিল শুনানি ২৫ ফেব্রুয়ারি

থানা-পুলিশকে ম্যানেজ করে গোমতীর মাটি কাটা হচ্ছে : হাসনাত

ভাঙনের শঙ্কা জামায়াতে ইসলামী জোটে

কল্যাণ রাষ্ট্র গড়তে বিভক্তি ভুলে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে: জামায়াত আমির

ক্ষমতায় গেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মর্যাদা ও বেতন বৃদ্ধি করা হবে

আমরা রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনতে চাই : মামুনুল হক

স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও জাতি জান-মালের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত: রেজাউল করীম