এনসিপিকে ছাড়াই জামায়াতে ইসলামীর লংমার্চ সফল হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আব্দুল্লাহ আল নোমান। তাঁর দাবি, শরীয়তপুর, গোপালগঞ্জ, বাগেরহাট, খুলনা ও যশোরে লংমার্চ ঘিরে ব্যাপক জনসমাগম হয়েছে। একই সঙ্গে জোটের অংশীদার হয়েও এনসিপি জোটের কর্মসূচির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা লেখেন আব্দুল্লাহ আল নোমান।
- পোস্টে তিনি লেখেন, এনসিপি মনে করেছিল, জামায়াতের লংমার্চ সফল হবে না। গোপালগঞ্জে লংমার্চের গাড়িবহর আওয়ামী লীগের হামলার শিকার হতে পারে বলেও ধারণা করেছিল দলটি। এমনকি জামায়াতকে টপকে বিরোধী দলের আসনে বসার প্রত্যাশাও ছিল এনসিপির।
তবে তাঁর ভাষ্য, জামায়াতের লংমার্চ সফল হয়েছে এবং গোপালগঞ্জে বিশেষ বাহিনী মোতায়েনের মাধ্যমে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা হয়েছে। অন্যদিকে এনসিপির নেতারা লংমার্চের বিরুদ্ধে নানা ধরনের বক্তব্য ও ন্যারেটিভ তৈরিতে ব্যস্ত রয়েছেন। জোটের অংশীদার হয়েও জোটের কর্মসূচির বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় এনসিপির সমালোচনা করেন তিনি।
লংমার্চের জনসমাগমের প্রসঙ্গে আব্দুল্লাহ আল নোমান লেখেন, শরীয়তপুর, গোপালগঞ্জ, বাগেরহাট, খুলনা ও যশোরে ব্যাপক জনসমাগম হয়েছে। জামায়াতের আমিরের আগমন ঘিরে মহাসড়কের দুই পাশে মানুষের ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। বিশেষ করে যশোরে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় জনসমাগম হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
এনসিপির সাম্প্রতিক কর্মসূচির সমালোচনা করে তিনি আরও লেখেন, আগের দিন ঢাকার একটি সড়কে প্রায় এক হাজার মানুষের সমাবেশ করে দলটি বেশ উচ্ছ্বসিত হয়ে পড়েছিল। জামায়াতের লংমার্চের আগের দিন সমাবেশের মাধ্যমে এনসিপি বিশেষ বার্তা দিতে চেয়েছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
পোস্টের শেষাংশে আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, লংমার্চের জনসমাগম প্রমাণ করে জামায়াতে ইসলামী একটি প্রভাবশালী বিরোধী দলে পরিণত হয়েছে। গণভোট ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় স্বার্থে জামায়াতের লংমার্চ চলবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।







