ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) কার্যনির্বাহী সদস্য রায়হান উদ্দীন বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের বক্তব্য ও কার্যক্রমের কঠোর সমালোচনা করেছেন।
রায়হানের অভিযোগ, কেউ কোনো প্রশ্ন করলেই উপাচার্য বলেন, ‘ডাকসু একটা দ্বৈত প্রশাসন কায়েম করেছে; তারা বললেই তো আমরা কাজ করব না।’। তিনি অভিযোগ করে বলছেন, ‘কোনো কাজ ঠিক কেন আটকে আছে, সে প্রশ্নের কোনো সদুত্তর তিনি (উপাচার্য) দিতে পারেন না।
তার ভাষ্য, ‘সেন্ট্রাল মাঠের জন্য নিয়ে আসা ২ কোটি টাকার কাজ কেন শুরু হয়নি— এমন প্রশ্নের জবাবেও তিনি একই বক্তব্য দিয়েছেন। এ বছরের আন্তঃবিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্ট হচ্ছে ধানক্ষেতে। সম্ভবত ধানক্ষেতই ভিসির খুব প্রিয় জায়গা।’
বুধবার (৩০ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজ অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
ডাকসু নেতা রায়হানের ফেসবুক পোস্টটি তুলে ধরা হলো:
“ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি একটা নতুন শব্দ শিখেছেন—‘দ্বৈত প্রশাসন’। কেউ কোনো প্রশ্ন করলেই সঙ্গে সঙ্গে তিনি বলেন, ডাকসু একটা দ্বৈত প্রশাসন কায়েম করেছে; তারা বললেই তো আমরা কাজ করব না।
কিন্তু কোনো কাজ ঠিক কেন আটকে আছে, সে প্রশ্নের কোনো সদুত্তর তিনি দিতে পারেন না। সেন্ট্রাল মাঠের জন্য নিয়ে আসা ২ কোটি টাকার কাজ কেন শুরু হয়নি—এমন প্রশ্নের জবাবেও তিনি বলেছেন, ডাকসু দ্বৈত প্রশাসন কায়েম করতে চায়। মানে, এটা কোনো উত্তর হলো?
এ বছরের আন্তঃবিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্ট হচ্ছে ধানক্ষেতে। সম্ভবত ধানক্ষেতই ভিসির খুব প্রিয় জায়গা। নইলে এই মাঠ দেখে তো তার লজ্জা লাগার কথা।
প্রশাসনে যখন শিক্ষকের পরিবর্তে বিএনপির নেতা বসে থাকেন, তখন শিক্ষার্থীদের স্বার্থের চেয়েও রাজনৈতিক স্বার্থকে বেশি গুরুত্ব দেবেন— সেটাই স্বাভাবিক।
সুতরাং, শিক্ষার্থীদের স্বার্থে এই দলকানা প্রশাসনের বিরুদ্ধে দ্বৈত প্রশাসনই গড়ে তুলতে হবে। যদি ঢাবির প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত পল্টন থেকে আসে, তাহলে শিক্ষার্থীদের স্বার্থের সিদ্ধান্তও ডাকসু থেকেই আসবে।
প্রশাসনিক ভবনকে বিএনপির কার্যালয় বানিয়ে শিক্ষার্থীদের স্বার্থে নেওয়া সব কাজ আটকে রেখে ভিসি যখন ‘প্রশাসন’-এর জুরিসডিকশন শেখান, তখন সেটা হাস্যকরই বটে!”







