সময় টিভির আগস্ট মাসের ‘সম্পাদকীয়’ টকশোতে বিএনপির অতিথি ৩৬, জামায়াত ১৩, এনসিপি ১১

Post Image

সময় টেলিভিশনের ইউটিউব চ্যানেলে প্রচারিত জনপ্রিয় টকশো ‘সম্পাদকীয়’-এর আগস্ট মাসের ২৬টি পর্ব বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, অনুষ্ঠানটিতে বিএনপি ও দলটির সমমনা কণ্ঠস্বরগুলোর উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। বেঙ্গল লেন্সের প্রস্তুত করা তথ্য অনুযায়ী, ওই মাসে মোট ৮০ জন অতিথির মধ্যে বিএনপি ও বিএনপিপন্থী ব্যক্তিদের উপস্থিতি ছিল ৩৬ বার, যেখানে এনসিপি ও জামায়াত দুই দল মিলে অতিথি ছিল ২৪ জন।

মোট ২৬টি টকশোতে অতিথি ছিলেন ৮০ জন, যার মধ্যে স্বতন্ত্র অতিথির সংখ্যা ৫৩ জন। তবে দলীয় পরিচয় বিচার করলে দেখা যায়, বিএনপির সরাসরি প্রতিনিধি যেমন- সংসদ সদস্য, দলীয় নেতা, উপদেষ্টা ও ছাত্রদল থেকে উপস্থিত ছিলেন ২২ বার, ব্যক্তির হিসাবে ১৪ জন।

এর বাইরে বিএনপিপন্থী বা বিএনপির পক্ষে জনমত তৈরি করতে দেখা যায় এমন শিক্ষক, সাংবাদিক, চিকিৎসক ও বিশ্লেষকদের উপস্থিতি ছিল ১২ বার, ব্যক্তি হিসেবে সেটি ৭ জন। দল হিসেবে বিএনপির বাইরে তাদের জোটের আরও ২ জন অতিথি ছিলেন।

অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী ও তাদের সমমনা ব্যক্তিরা ১৩ বার উপস্থিত ছিলেন, যার মধ্যে স্বতন্ত্র ব্যক্তি ছিলেন ১০ জন। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রতিনিধিরা ১১ বার উপস্থিত ছিলেন, যার মধ্যে স্বতন্ত্র ব্যক্তি ছিলেন ৬ জন।

এই বিন্যাস থেকে স্পষ্ট, বিএনপি ও দলটির সমমনা পেশাজীবীদের একত্রে বিচার করলে তাদের উপস্থিতি ৩৬ বার, যা জামায়াত (১৩ বার) ও এনসিপি (১১ বার)—এই দুই দলের সম্মিলিত উপস্থিতির চেয়েও বেশি। অর্থাৎ, আলোচনার টেবিলে বিএনপি ঘরানার কণ্ঠস্বরগুলোই ছিল সংখ্যাগরিষ্ঠ।

আগস্ট মাসে ২৬টি পর্ব সঞ্চালনা করেছেন চারজন— জাফর সাদিক (১০টি), মুজতবা খন্দকার (৯টি), আফজাল হোসেন (৫টি) এবং জিন্নাত আরা জশোয়া (২টি)।

এর মধ্যে মুজতবা খন্দকার ও জাফর সাদিক সঞ্চালিত পর্বগুলোতে বিএনপি ঘরানার অতিথিদের আধিক্য দেখা গেছে। বিশেষ করে মুজতবা খন্দকারের ৯ পর্বে মোট ২৭ জন অতিথির মধ্যে ১৩ জনই ছিলেন বিএনপি বা বিএনপিপন্থী।

৯ আগস্ট তাঁর সঞ্চালনায় ‘রাজনীতির সংকট’ শিরোনামের একটি পর্বে তিনজন অতিথিই ছিলেন বিএনপি ও জোট সংশ্লিষ্ট। সেই পর্বে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদার", বিএনপি জোটসঙ্গী বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হক এবং বিএনপিপন্থী সাংবাদিক ও বিশ্লেষক আবু রুশদ।

সময় টেলিভিশনের বর্তমান হেড অব নিউজ সাংবাদিক মুজতবা খন্দকার নিজেও বিএনপিপন্থী একজন সাংবাদিক হিসেবে পরিচিত। বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে মুজতবা খন্দকার অব্যাহতভাবে বিএনপির পক্ষে লেখালেখি ও অ্যাক্টিভিজম করেছেন।

ব্যর্তমানেও তিনি কোনো রাখঢাক না রেখেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিএনপির পক্ষে লেখালেখি করেন। এই প্রেক্ষিতে তাঁর সঞ্চালনায় বিএনপিপন্থী অতিথিদের আধিক্যকে কেবল অঘটন বলে উড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ নেই। এছাড়া তাকে একাধিকবার বিরোধী দলকে নিয়ে ভুয়া খবর ছড়াতেও দেখা গেছে।

একইভাবে তার আগে গত ৪ আগস্ট ‘গণঅভ্যুত্থান দিবসের প্রাক্কালে’ শিরোনামে জাফর সাদিকের সঞ্চালনায় ৫ জন অতিথি উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে ৩ জনই ছিলেন বিএনপিপন্থী, যারা হলেন: বিএনপিপন্থী চিকিৎসক ডা. সাখাওয়াৎ হোসেন সায়ন্থ, বিএনপিপন্থী বিশ্লেষক ড. মারুফ মল্লিক এবং ছাত্রদলের নেতা মল্লিক ওয়াসি উদ্দিন তামীম। বাকি দুজন ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির সংসদ সদস্য ড. আতিক মুজাহিদ এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরের আসিফ আবদুল্লাহ।প্রবাসী নেটওয়ার্কে যোগদিন

একইভাবে, ৭ আগস্ট ‘সরকার ও বিরোধী দলের আচরণ’ পর্বের ৩ জন অতিথির মধ্যে ২ জন (বিএনপির সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনি ও সাংবাদিক সাহেদ আলম) ছিলেন বিএনপিপন্থী।


২৬টি টকশোর বিষয়বস্তু অনেক ক্ষেত্রেই সাধারণ শব্দে উপস্থাপন করা হয়েছে, যার ফলে সরাসরি কোনো দলের পক্ষে বা বিপক্ষে ইস্যু চিহ্নিত করা কঠিন। সরাসরি সরকারের বিপক্ষে যায় এমন কোনো বিষয়বস্তু টকশোগুলোর শিরোনাম থেকে বোঝা যাচ্ছে না।

তবে সরকারের পক্ষে যায় এমন ইতিবাচক কিছু বিষয়বস্তু সেখানে পাওয়া গেছে। যেমন, “সজ্জন রাজনীতিবিদ মির্জা ফখরুল”, “যে আলো জ্বালিয়েছেন বেগম খালেদা জিয়া”, কিংবা “গণতন্ত্রের পথে ৬ মাস"।

অপরদিকে বিরোধী দলের প্রতি সমালোচনামূলক বিষয়বস্তু পাওয়া যাচ্ছে। যেমন, “রাজপথই কি সমাধান?”, কিংবা “বিরোধী দল কি সহিংস হবে?"

আগস্ট মাসের এসব টকশোতে সর্বাধিক তিনবার করে উপস্থিত ছিলেন অন্তত ৭ জন। যাদের ৫ জনই সরাসরি বিএনপির রাজনীতি এবং বিএনিপন্থী সাংবাদিক হিসেবে পরিচিত কিংবা কট্টর বিরোধীদল তথা এনসিপি-জামায়াত সমালোচক। তারা হলেন- বিএনপির সংসদ সদস্য আজিজুল বারী হেলাল, শহিদুল ইসলাম বাবুল, বিএনপিপন্থী বিশ্লেষক ড. মারুফ মল্লিক, সাংবাদিক মোস্তফা ফিরোজ ও মাসুদ কামাল।

এই ৫ জনের বাইরে বাকি ২ জন হলেন- বিরোধী দল থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টির দুইজন অতিথি ড. আতিক মুজাহিদ ও সারোয়ার তুষার। তারাও সর্বোচ্চ তিনবার করে উপস্থিত ছিলেন।

টকশোতে বিএনপিপন্থীদের উপস্থিতির আধিক্যতা কি সময় টেলিভিশনের কোনো সম্পাদকীয় নীতি কিনা জানতে চাইলে সময় টেলিভিশনের সিইও জোবায়ের বাবু বেঙ্গল লেন্সকে বলেন, ‘‘প্রত্যেকটা চ্যানেলেরই একটি সম্পাদকীয় পলিসি রয়েছে। চ্যানেলের প্রতিটি জিনিস পলিসিগতভাবেই যায়।

তিনি বলেন, আমরা টেলিভিশনে কোনো দল মত দেখি না। টেলিভিশনে ব্যালেন্স ক্যালকুলেশন করে সবকিছু করা হয়। আমরা সময় টেলিভিশনে ধীরে ধীরে পশ্চিমা স্টাইলে ব্যালেন্স ক্যালকুলেশন করে কাজ করতে চাই।ডানপন্থী বই খুঁজুন

আগষ্ট মাসের টকশো পর্যালোচনার বিষয়ে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীর ১৩ জন ও জাতীয় নাগরিক পার্টির ১১ জন ছিল। তারা তো একটি রাজনৈতিক জোট। রাজনৈতিক জোট হিসেবে ২৪ জন গিয়েছে তারা।রাজনৈতিক জোট হিসেবে বিএনপি গিয়েছে ৩৬ জন।

অতিথি নির্বাচন নিয়ে তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট ও ভোটিং কাস্টের কথা চিন্তা করলে সে জায়গাতে এটি ব্যালেন্স আছে কিনা না ইমব্যালেন্স হচ্ছে সেটিও দেখা হয়। এমন অনেকগুলো ক্যালকুলেশন করা হয়।’’

এসময় তিনি আরও বিস্তারিত জানার জন্য সময় টেলিভিশনের টকশো প্রযোজনা সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলতে বলেন।

এ বিষয়ে সময় টেলিভিশনের হেড অফ নিউজ মুজতবা খন্দকার বেঙ্গল লেন্সকে বলেন, ’’আমরা আসলে প্রথমে চিন্তা করি যে, বিএনপির একজন গেস্ট ঠিক করলাম, একজন এমপিকে ঠিক করলাম। এরপর উনার সঙ্গে কে যায়—জামায়াতের একজনকে চেষ্টা করি। উনি যদি রাজি না হন কিংবা ঢাকায় না থাকেন, তখন আমরা ওই লেভেলের এনসিপির একজনকে চিন্তা করি। সমস্যা হচ্ছে, অনেক সময় গেস্ট পাওয়া যায় না। ব্যস্ত থাকে, প্রোগ্রামে থাকে, ঢাকার বাইরে থাকে—নানা কারণে হয়তো ব্যালেন্স করা যায় না। তবে আমরা চেষ্টা করি দুজনকে করার জন্য। মাঝখানে একজন তৃতীয় পক্ষ, একটু ইন্ডিপেন্ডেন্ট কাউকে রাখারও চেষ্টা করি। কিন্তু সবসময় অনেক সময় আমরা মিলাতে পারি না।’’

তিনি আরও বলেন, ’’অনেক চ্যানেলে টকশো হচ্ছে, ফোন করলে কোথাও না কোথাও আমরা যাকে অতিথি করতে চাই তিনি হয়তে অন্য কোথাও অতিথি হয়ে রয়েছেন। সেই কারণে মাঝেমধ্যে ঝামেলাটা হয়। অনেক সময় শতভাগ ব্যালেন্স করার চেষ্টা করেও করা যাচ্ছে না। এটা এক ধরনের লিমিটেশন আমাদের।’’

মুজতবা খন্দকার আরও বলেন, ’‘টকশোতে গেস্টও কমে গেছে। আগে তো আওয়ামী লীগের অতিথি আনতাম আমরা। আওয়ামী লীগ ব্যান হওয়ার পর তাদের যারা টকশো করেন, তাদেরকে খুব কম আনার চেষ্টা করি। সাধারণত মোস্তফা ফিরোজ দীপু আর মাসুদ কামালকে আমরা আওয়ামী লীগের পক্ষ হয়ে আনি। আর বাকিদের মধ্যে যারা আছেন তারা হয় জামায়াত অথবা এনসিপি, অথবা ওই মাহফুজের (অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা) অল্টারনেটিভ এবং বিএনপি। এইগুলো নিয়েই আমরা চেষ্টা করি।

তিনি বলেন, সবসময় হয়তো ব্যালেন্স রক্ষা করা যায় না। বিএনপি অনেক সময় এনসিপির সঙ্গে বসতে চায় না। অনেকগুলো ব্যারিয়ার আছে। তো সবসময় পুরোপুরি ব্যালেন্স করা যায় না। তবে আমাদের চেষ্টার কোনো ঘাটতি নেই। যাতে ব্যালেন্সটা করা যায়, আমরা সবসময় সেই চেষ্টা করি।’’

পর্যালোচনাভুক্ত টকশোর তালিকা

১ আগস্ট ‘ভাঙনের সুর?’ শিরোনামের সম্পাদকীয় অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন তিনজন। এরপর ৩ আগস্ট ‘মব লাগবে কেনো?’ শিরোনামের সম্পাদকীয় অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন তিনজন। ৪ আগস্ট ‘গণঅভ্যুত্থান দিবসের প্রাক্কালে’ শিরোনামের সম্পাদকীয় অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন পাঁচজন। এরপর ৫ আগস্ট ‘গণ অভ্যুত্থানের ২ বছর’ শিরোনামের সম্পাদকীয় অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন তিনজন। ৭ আগস্ট ‘সরকার ও বিরোধীদলের আচরণ’ শিরোনামের সম্পাদকীয় অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন তিনজন। ৮ আগস্ট ‘অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনকাল’ শিরোনামের সম্পাদকীয় অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন তিনজন। ৯ আগস্ট ‘রাজনীতির সংকট’ শিরোনামের সম্পাদকীয় অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন তিনজন। এরপর ১০ আগস্ট ‘ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক- কোন পথে?’ শিরোনামের সম্পাদকীয় অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন তিনজন। ১১ আগস্ট ‘গণতন্ত্রের পথে ৬ মাস’ শিরোনামের সম্পাদকীয় অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন তিনজন। ১২ আগস্ট ‘কৃপার রাজনীতি!’ শিরোনামের সম্পাদকীয় অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন তিনজন। ১৩ আগস্ট ‘সজ্জন রাজনীতিবিদ মির্জা ফখরুল’ শিরোনামের সম্পাদকীয় অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন তিনজন। এরপর ১৪ আগস্ট ‘তারেক রহমানের ভারত সফর!’ শিরোনামের সম্পাদকীয় অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন তিনজন। ১৫ আগস্ট ‘যে আলো জ্বালিয়েছেন বেগম খালেদা জিয়া’ শিরোনামের সম্পাদকীয় অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন তিনজন। ১৬ আগস্ট ‘প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির ১৮০ দিন’ শিরোনামের সম্পাদকীয় অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন তিনজন। ১৭ আগস্ট ‘প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতা’ শিরোনামের সম্পাদকীয় অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন তিনজন। ১৮ আগস্ট ‘ন্যারেটিভ তৈরি করছে কারা?’ শিরোনামের সম্পাদকীয় অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন তিনজন। এরপর ১৯ আগস্ট ‘কোন পথে হাঁটছে রাজনীতি?’ শিরোনামের সম্পাদকীয় অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন তিনজন। ২২ আগস্ট ‘প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে ধোঁয়াশা’ শিরোনামের সম্পাদকীয় অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন তিনজন। ২৩ আগস্ট ‘সমঝোতা: ইশতেহারে আছে বাস্তবে নেই’ শিরোনামের সম্পাদকীয় অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন তিনজন। ২৪ আগস্ট ‘তথ্য-অপতথ্যের চাপে রাজনীতি’ শিরোনামের সম্পাদকীয় অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন তিনজন। ২৫ আগস্ট ‘বিরোধী দল কি সহিংস হবে?’ শিরোনামের সম্পাদকীয় অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন তিনজন। এরপর ২৬ আগস্ট ‘মুখোশধারী কারা?’ শিরোনামের সম্পাদকীয় অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন তিনজন। ২৭ আগস্ট ‘উত্তপ্ত সংসদ’ শিরোনামের সম্পাদকীয় অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন তিনজন। ২৮ আগস্ট ‘সংসদ নাকি রাজপথ’ শিরোনামের সম্পাদকীয় অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন তিনজন। ৩০ আগস্ট ‘রাজপথই কি সমাধান?’ শিরোনামের সম্পাদকীয় অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন তিনজন। এছাড়া ৩১ আগস্ট ‘সংকট তৈরি করছে কারা?’ শিরোনামের সম্পাদকীয় অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন তিনজন।ডানপন্থী বই খুঁজুন


এই বিভাগের আরও খবর

রাজনীতি

সর্বশেষ খবর

অরাজকতার চেষ্টা করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

সময় টিভির আগস্ট মাসের ‘সম্পাদকীয়’ টকশোতে বিএনপির অতিথি ৩৬, জামায়াত ১৩, এনসিপি ১১

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বক্তব্যে ক্ষুব্ধ যুবদল সভাপতি

জামায়াত আমিরের অপেক্ষায় কানায় কানায় পূর্ণ লালদিঘি, চট্টগ্রামে জনস্রোত

হাত-পায়ে ধরে বলব সঠিক পথে আসুন, পরে ঘাড় ধরতেও হাত কাঁপবে না

শাবিপ্রবিতে ‘বিএনপি সরকারের ১৮০ দিনে যত ব্যর্থতা’র ব্যানার টানাল ছাত্রশক্তি

খুব শিগগিরই ঢাকায় লংমার্চের ডাক দেব, ৫ আগস্টের মতো যাবেন: নাহিদ

যতগুলো আওয়ামী লীগ আছে, প্রত্যেকটা ধরে ধরে প্রশাসনের হাতে তুলে দেবেন

সর্বাধিক পঠিত

নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে মামুনুল হক: কারো উস্কানিতে পা দেওয়া যাবে না

গণঅভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারের সঙ্গে তারেক রহমানের মতবিনিময়

হামলার নির্দেশদাতা ও জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে

নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের মনোনয়ন ফরম তুললেন এড. মাহফুজ

ইরানের হামলায় ধ্বংসযজ্ঞ, ক্ষতিপূরণের ৩৯ হাজার আবেদন ইসরায়েলে

হাতিয়ার ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে গভীর রাতে নাসিরের স্ট্যাটাস

‘বিএনপি ক্ষমতায় এলে জুলাই যোদ্ধাদের দেখাশোনার জন্য বিশেষ বিভাগ খুলবে’

সাদিক কায়েমের মেয়রপ্রার্থী হওয়া নিয়ে যা বলল শিবির

বাসভবনের প্রদর্শনীতে শেখ মুজিবের ছবি কেন? যা বলছেন জামায়াতের আমির

৫ আসনে শাপলা কলির জয়, অনেক জায়গায় লড়াই চলছে : আসিফ মাহমুদ