নিশ্চিত বিদায়ের শঙ্কা থেকে অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে শেষ পর্যন্ত জয় তুলে নিয়েছে বেলজিয়াম। নির্ধারিত সময়ের শেষ মুহূর্তে মাত্র তিন মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল করে সমতা ফেরানোর পর, অতিরিক্ত সময়ের অন্তিম ক্ষণে পেনাল্টি থেকে জয়সূচক গোল করে সেনেগালকে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়েছে তারা।
সিয়াটলে অনুষ্ঠিত উত্তেজনাপূর্ণ এই ম্যাচে শুরু থেকেই সুবিধাজনক অবস্থানে ছিল সেনেগাল। ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে তারা জয়ের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল। তবে ম্যাচের শেষ দিকে নাটকীয়ভাবে ঘুরে দাঁড়ায় বেলজিয়াম।
৮৬ মিনিটে রোমেলু লুকাকুর গোলে ব্যবধান কমে, আর ৮৯ মিনিটে ইউরি টিলেমান্স সমতাসূচক গোল করে ম্যাচকে নতুন মাত্রা দেন। ফলে নির্ধারিত সময় শেষ হয় ২-২ সমতায়।
অতিরিক্ত সময়ের প্রথম ১৫ মিনিটেও কোনো দল গোল করতে পারেনি। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণকারী ঘটনা ঘটে। ডান প্রান্ত থেকে টিমোথি কাস্তানিয়ের নিচু ক্রস আটকাতে গিয়ে সেনেগালের লামিনে কামারা টিলেমান্সকে ফাউল করেন বলে দাবি ওঠে। ভিএআরের সহায়তায় ঘটনাটি পর্যালোচনা করার পর রেফারি বেলজিয়ামের পক্ষে পেনাল্টির বাঁশি বাজান।
এর আগে অবশ্য জয়ের দারুণ একটি সুযোগ নষ্ট করেন ডোডি লুকেবাকিও। গোলের খুব কাছ থেকে নেওয়া তার শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসায় বেলজিয়াম হতাশ হয়। তবে সেই আক্ষেপ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি।
ম্যাচের ১২৫ মিনিটে পেনাল্টি নিতে এগিয়ে এসে ইউরি টিলেমান্স কোনো ভুল করেননি। নিখুঁত শটে বল জালে জড়িয়ে বেলজিয়ামকে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তিনি। সেই গোলেই নিশ্চিত হয় দলের রোমাঞ্চকর জয় এবং শেষ ষোলোর টিকিট।







