বিশ্বকাপে গ্রুপপর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছে দুইবারের বিশ্বচ্যাস্পিয়ন উরুগুয়ে। একটা ম্যাচেও জিততে পারেনি লাতিন আমেরিকার এই শক্তিশালী দল।
তাই ব্যর্থতার দায় কাঁধে নিয়ে প্রধান কোচের পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন মার্সেলো বিয়েলসা।
আজ বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা তিনি। কিন্তু বিয়েলসার পদত্যাগের পরে আরো বেড়েছে বিতর্ক। ১০০ মিনিটের প্রেসমিটে একের পর এক বিস্ফোরক দাবি করে তিনি জানান, যা শেখাতে চেয়েছিলেন, তা জানার কারো আগ্রহ ছিল না।
গুরুত্বই দেওয়া হতো না তাঁর কথাকে। বিয়েলসার এই চাঞ্চল্যকর দাবি নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা।
তাঁর দাবি জাতীয় দলের ফুটবলাররা কখনোই তাঁর ফুটবল দর্শনকে গুরুত্ব দেননি, ‘একটা বিষয়ে আমি পুরোপুরি নিশ্চিত— আমি যা জানি, তা শিখতে কারো আগ্রহ ছিল না। আমি যা শেখানোর চেষ্টা করেছি, তার কোনো গুরুত্বই ছিল না।
কোনো স্তরেই না। তবে এতে আমি খারাপ কিছু দেখি না। অন্যরা আমার কাছ থেকে শিখতে আগ্রহী নয়। বিষয়টা এখানেই শেষ।’
২০২৩ সালের মে মাসে উরুগুয়ের দায়িত্ব নিয়েছিলেন বিয়েলসা।
তিন বছরের মধ্যে ব্যর্থতাকে সঙ্গী করে বিদায় নিতে হল এই কোচকে। তবে বিশ্বকাপে হতাশাজনক ফলের দায় তিনি পুরোপুরি নিজের কাঁধেই নিয়েছেন। ফুটবলারদের দিকে আঙুল তোলেননি।
বিয়েলসা বলেন, ‘যা হয়েছে, তার দায় সম্পূর্ণ আমার। এই ফলের জন্য কোনো অজুহাত দিতে পারি না। আমার টিমে যে ফুটবলাররা ছিল, তাদের সঠিকভাবে পরিচালনা করতে পারিনি। আমি, কোচিং স্টাফ এবং ফুটবলাররা সবাই নিজেদের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। কিন্তু তা যথেষ্ট ছিল না।’







