ম্যাচের মাঝামাঝি সময়ে ভিএআর-এর নাটকে গোল বাতিলের হতাশা ঝেড়ে ফেলে প্রথমার্ধের ঠিক শেষ মুহূর্তে আবারও স্কটল্যান্ডের জালে বল পাঠিয়েছে ব্রাজিল। প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে (৪৫+৩ মিনিটে) রক্ষণভাগের আরও একটি মারাত্মক ভুলের ফায়দা লুটে নিজের এবং দলের দ্বিতীয় গোলটি তুলে নেন তারকা ফরোয়ার্ড ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। এবারের গোলটি নিয়ে কোনো বিতর্ক না থাকায় ২-০ ব্যবধানের স্পষ্ট লিড নিয়ে বিরতিতে গেছে সেলেসাওরা।
নিজেদের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমার জুনিয়রকে পেতে ৯৮১ দিন অপেক্ষা করতে হয়েছে ব্রাজিলকে। চোটজর্জর এই তারকার প্রত্যাবর্তনের ম্যাচটি অবশ্য তিনি মাঠে নামার আগেই রাঙিয়ে দিয়েছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও ম্যাথিউস কুনহা।
যাতে ভর করে স্কটল্যান্ডকে ৩-০ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়ে নকআউট রাউন্ডে উঠল ব্রাজিল।
প্রথমার্ধেই দ্বিগুণ ব্যবধানে পিছিয়ে ছিল স্কটল্যান্ড। বিরতির পর তারা ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হয়ে আক্রমণ চালায়। তবে কিছুতেই গোলের দেখা পাচ্ছিল না স্কটিশরা।
গোললাইন থেকে একাধিক বল ফেরত পাঠিয়ে তাদের হতাশ করেছেন অ্যালিসন বেকার। এরই মাঝে ৬০ উল্টো তাদের আবারও পিছিয়ে দেন কুনহা। ম্যাচে ব্রুনো গুইমারেসের দ্বিতীয় অ্যাসিস্টে তিনি আসরের তৃতীয় গোলটি করলেন।
অনেকদিন ধরে নম্বর নাইন খুঁজে ফেরা ব্রাজিল যেন উপযুক্ত ব্যক্তিকে পেয়ে গেল এবারের বিশ্বকাপে। আগের ম্যাচে কুনহা হাইতির বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন।







