স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে মরক্কো আপাতত গ্রুপের শীর্ষে। তবে হাইতিকে হারালে ব্রাজিল তাদের টপকে যাবে। এমন ম্যাচে শুরুতেই গোল পেয়েছিল তারা। কিন্তু অফসাইডে তা বাতিল হয়ে গেছে। পরে কুনহা গোল করে ব্রাজিলকে এগিয়ে দেন। ১৩ মিনিটের ব্যবধানে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন তিনি।
১৩ মিনিটে দানিলোর বাড়ানো বল ধরে রাফিনহা রক্ষণভাগের পেছনে দ্রুত ছুটে যান এবং প্লেসিডকে পরাস্ত করে প্রচণ্ড শক্তিতে একটি বুলেট গতির শট নেন।
স্টেডিয়াম উল্লাসে ফেটে পড়ে, কিন্তু লাইন্সম্যান অফসাইডের পতাকা তোলায় গোলটি বাতিল হয়ে যায়।
২২ মিনিটে রাফিনহা গোলকিপারকে একা পেয়েও লক্ষ্যে শট রাখতে পারেননি। অবশ্য বল জালে জড়ালেও গোল হতো না, কারণ তিনি অফসাইডে ছিলেন।
পরের মিনিটে ব্রাজিল গোল পেয়ে যায়। ব্রাজিলের খেলোয়াড়রা বল সামনের দিকে ঠেলে দেন। গোলপোস্টের সামনে হাইতির ডিফেন্ডাররা এলোমেলো হয়ে পড়ে। ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের কাট ইন থেকে কুনহা কোনোমতে বলটি ঠেলে দিতে সক্ষম হন। অবশ্য প্রথমে ডেলক্রোয়ার গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে এবং কুনহার শরীরে লেগে রিবাউন্ড হয়ে গোলে ঢুকে যায়।
বিরতির আগে আবারও কুনহা জাল কাঁপান। ভিনিসিয়ুসের পাস থেকে বক্সে ঢুকে উঁচু ও কোনাকুনি শটে কাছের গোলপোস্ট দিয়ে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন তিনি। ৩৬ মিনিটে ব্রাজিল ২-০ গোলে এগিয়ে গেল।
প্রধমার্থের অতিরিক্ত টাইমে ভিনিসিয়ুসে দূর্দান্ত শটে ৩-০ ব্যবধানে বিরতিতে যায়







