চলমান যুদ্ধ থেকে বের হতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একতরফা ‘জয় ঘোষণা’ দিতে পারেন—এমন সম্ভাবনা নিয়ে ইরান কী প্রতিক্রিয়া দেখাবে, তা বিশ্লেষণ করছে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।
মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, দ্রুত উত্তেজনা কমানো গেলে হোয়াইট হাউসের ওপর অভ্যন্তরীণ চাপ কমবে। তবে এতে আশঙ্কাও রয়েছে। এই সুযোগে ইরান তার পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি আবার শক্তিশালী করতে পারে।
গোয়েন্দা বিশ্লেষণে আরও বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি ‘জয়’ ঘোষণা দিয়ে সেনা কমিয়ে আনে, তাহলে ইরান এটিকে কৌশলগত সাফল্য হিসেবে দেখবে। অন্যদিকে, যদি মার্কিন সেনা উপস্থিতি বজায় থাকে, তাহলে সেটিকে আলোচনায় চাপ সৃষ্টির কৌশল হিসেবে ধরা হবে।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলিন লিভিট জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং যুক্তরাষ্ট্র তাড়াহুড়া করে কোনো ‘খারাপ চুক্তি’ করবে না। তিনি বলেন, যেকোনো চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখতে হবে।
এদিকে, ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখায় বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে এবং তেলের দাম বেড়েছে। কূটনৈতিক আলোচনা চললেও এখনো কোনো সমাধান আসেনি।
অন্যদিকে, সামরিক বিকল্পও এখনো বিবেচনায় রয়েছে। এর মধ্যে ইরানের সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে নতুন করে বিমান হামলার পরিকল্পনাও থাকতে পারে। তবে স্থল অভিযান চালানোর সম্ভাবনা আগের তুলনায় কম বলে জানা গেছে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ইরানের সঙ্গে এমন চুক্তি করতে হবে যাতে তারা কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির দিকে এগোতে না পারে।
এদিকে ইরান বলছে, নতুন করে আলোচনা শুরু করতে হলে আগে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ তুলে নিতে হবে। এছাড়া তারা হরমুজ প্রণালির জন্য নতুন আইনি কাঠামো, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং ক্ষতিপূরণের দাবিও তুলেছে।
তথ্যসূত্র : শাফাক নিউজ







