শুরু থেকে আক্রমণাত্মক ফুটবলে নেপালকে কোণঠাসা করে রাখল বাংলাদেশ। কয়েকটি প্রচেষ্টা ভেস্তে যাওয়ার পর মিলল গোলের দেখা। মোহাম্মদ মানিকের গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে গেল দল।
দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের ধার কিছুটা কমায় ব্যবধান বাড়িয়ে নিতে পারল না বাংলাদেশ।
তবে মানিকের ওই গোলটাই যথেষ্ট হলো। নেপালকে হারিয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
মালদ্বীপের রাজধানী মালের জাতীয় স্টেডিয়ামে আজ (১ এপ্রিল) আসরের প্রথম সেমিফাইনালে মানিক জয়সূচক গোলটি করেছেন ১১ মিনিটে।
২০২৪ আসরের ফাইনালে নেপালকে ৪-১ গোলে বিধ্বস্ত করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ।
নেপালিদের ওপর সেই আধিপত্য এবারও ধরে রাখল বাংলার যুবারা। যদিও ম্যাচের আগে দুর্ভাবনার কমতি ছিল না বাংলাদেশের। ডিফেন্ডার আশিকুর রহমানের চোট, ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে লাল কার্ড দেখায় এই ম্যাচে বাংলাদেশের ডাগআউটে প্রধান কোচ মার্ক কক্সের অনুপস্থিতি দেশের ফুটবলপ্রেমীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছিল। তবে দল পরিচালনার ভার সহকারী কোচ আতিকুর রহমান মিশু সামলেছেন ভালোভাবেই।
গোছাল আক্রমণ থেকে ১১ মিনিটে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। তিন জন নিজেদের মধ্যে বল দেওয়া নেওয়া করে মুর্শেদ আলী চিপ বাড়ান বক্সে, নিখুঁত হেডে জাল খুঁজে নেন মোহাম্মদ মানিক।
দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান বাড়াতে নেপালের রক্ষণে চাপ দিতে থাকে বাংলাদেশ। ৫৪ মিনিটে সতীর্থের লং পাসে ছুটে গিয়ে ভালো জায়গায় থেকেও পা ছোঁয়াতে পারেননি জয় আহমেদ। ৬ মিনিট পর নেপালের বিজ্ঞান খড়কার ফ্রি কিক ওপরের জাল কাঁপায়।
এরপর থেকে বাংলাদেশের আক্রমণের ধার কিছুটা কমে। সমতায় ফিরতে মরিয়া নেপালের আক্রমণ সামলে পাল্টা আক্রমণে মনোযোগী হয় দল। ৮৭ মিনিটে বদলি নামেন ডেকলান সুলিভান। লাল-সবুজের জার্সিতে যমজ ভাই রোনানের অভিষেক হয়েছিল আগেই, এবার ডেকলানেরও হলো। ফাইনালে ওঠার আগমুহূর্তে দুই ভাই দুর্দান্ত ফুটবল উপহার দিয়েছেন।







