ফরিদপুর জেলায় মোট ৪০টি পেট্রোলপাম্পের মধ্যে অধিকাংশেই তেলের সংকট দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা পেট্রোলপাম্প মালিক সমিতির সভাপতি ওয়াহিদ মিয়া কুটি।
তিনি জানান, বর্তমানে জেলায় অনেক পেট্রোলপাম্পেই প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে পরিবহন ও সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
ওয়াহিদ মিয়া কুটি বলেন, চট্টগ্রাম থেকে জ্বালানি সরবরাহ ও নিয়ন্ত্রণ করা হয়। কিন্তু সেখান থেকে কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ তেল না পাওয়ায় এই সংকট তৈরি হয়েছে। তিনি আরও জানান, দ্রুত এ সমস্যার সমাধান না হলে আসন্ন ঈদকে কেন্দ্র করে ঘরমুখো মানুষের যাত্রায় বড় ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেলে জেলা প্রশাসন আয়োজিত জরুরি সভায় এসব কথা বলেন ওয়াহিদ মিয়া কুটি।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ আহমেদ।
সমিতির সভাপতি ওয়াহিদ মিয়া বলেন, ‘প্রতিদিন ফরিদপুরে অন্তত আড়াই লাখ লিটার তেলের চাহিদা রয়েছে। বর্তমানে তেলের ডিপো থেকে চাহিদার অর্ধেক তেল পাঠানো হচ্ছে। যে কারণে আমাদের নাজুক অবস্থা। বৃহস্পতিবার আমাদের তেল দেওয়া হবে, শুক্র ও শনিবার তেল দেওয়া হবে না। এ দুদিন তেল যদি না দেওয়া হয়, তাহলে রোববার থেকে আমরা কাউকে আর তেল দিতে পারবো না। এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় উচ্চপর্যায়ে কথা বলে ফরিদপুরে তেলের সরবরাহ বাড়াতে হবে।’
জরুরি সভায় তিনি আরও বলেন, তেল কম দেওয়ার কারণে বিভিন্ন পাম্পে আমাদের কর্মচারীদের মারধরও করা হয়েছে। কেউ সাংবাদিক, কেউ পুলিশ, কেউ রাজনৈতিক পরিচয়ে প্রভাব খাটিয়ে তেল বেশি নিতে চাচ্ছেন। এগুলো বন্ধ করতে পুলিশের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
এমপি চৌধুরী নায়াব ইউসুফ আহমেদ বলেন, এটি আন্তর্জাতিক ইস্যু। সে ক্ষেত্রে আমাদের সবাইকে সাশ্রয়ী ও সচেতন হতে হবে।







