জামায়াত আমিরের ‘নির্বাচনি বিতর্কে’ অংশ নেওয়ার আহ্বান, যা জানাল বিএনপি

Post Image

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমিরের পক্ষ থেকে দেওয়া ‘নির্বাচনি বিতর্কের’ প্রস্তাবকে একটি ‘চটকদার বিষয়’ হিসেবে অভিহিত করেছে বিএনপি।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) গুলশানে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দলের মুখপাত্র ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মাহদী আমিন এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।

জামায়াত আমিরের ফেসবুক পোস্ট ও তারেক রহমানকে ট্যাগ করে নির্বাচনি আলোচনার আহ্বানের প্রেক্ষিতে মাহদী আমিন বলেন, প্রচারণার শেষ সময়ে এসে এমন প্রস্তাব স্রেফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার একটি কৌশল হতে পারে। 

বিএনপির নির্বাচনি মুখপাত্র আরও বলেন, এই বিষয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে আমার ব্যক্তিগতভাবে কোনো কথা হয়নি। তবে আমার কাছে মনে হয়েছে ফেসবুকে একটা পোস্ট করা এবং তারেক রহমানের অ্যাকাউন্টকে ট্যাগ করা বেশ চটকদার একটা বিষয়। আগামীকাল, পরশুদিন চেয়ারম্যানের শিডিউল খালি নেই। তবে আমরা বলি কী, এই যে পলিসি ডিবেটের কথা বলা হচ্ছে, বিএনপি তো হুট করে পলিসিটা দেয়নি। আপনারা ২০১৩ সালে জুলাই মাসে তারেক রহমানের একটা বক্তব্য যদি দেখেন, ফেসবুকে আছে, ইউটিউবে আছে—একটি ইফতারের প্রোগ্রামে উনি যে বক্তব্য দিয়েছিলেন তার অনেকটুকুই কিন্তু ইলেকশন ম্যানিফেস্টোতে আমরা দেখতে পেয়েছি। অর্থাৎ ২০১৩ সালে উনি যে বক্তব্য দিয়েছিলেন সেটি কিন্তু তারও আগে প্রায় কয়েক দশকের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত ছিল। আমরা দেখলাম তারেক রহমান গত প্রায় এক যুগের বেশি সময় ধরে অনেকগুলো সুবিন্যস্ত, সুনির্দিষ্ট পলিসির কথা বলেছেন। ফ্যাসিবাদের সময় যখন আইন-আদালতের মাধ্যমে উনার বাকস্বাধীনতাকে হরণ করে উনার বিভিন্ন বক্তব্য প্রচারে বাধা দেওয়া হয়েছিল, আপনারা সেগুলো হয়তো সেভাবে প্রচার করতে পারেননি। কিন্তু বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার উনার সেই বক্তব্য, বিবৃতি, পলিসির আলোকেই নির্ধারিত হয়েছে।

মাহদী আমিন বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে কোনো আলোচনা, কোনো সমালোচনা, কোনো যৌক্তিক বয়ান তৈরি না করে হুট করে নির্বাচনের আগে পলিসি ডিবেটটা কেন—এটা যেমন একটা প্রশ্ন রাখে, একইভাবে আমার জানামতে জামায়াতের যিনি আমির রয়েছেন উনার কোনো পলিসি পোস্ট আমি গত দেড় বছরে তো দেখিনি। তার আগে গত ১৬ বছর ১৮ বছরে কখনোই দেখিনি। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি থেকে আমরা যে ম্যানিফেস্টো করেছি, ডিফারেন্ট প্রফেশনাল টিমসরা কাজ করেছে, উনার ভিশনকে সামনে রেখে। জামায়াতের আমিরের ক্ষেত্রে কি এটাই প্রযোজ্য নাকি উনার টিম মেম্বাররা করেছেন, উনি শুধু ওয়াকিবহাল হয়েছেন—সেটা আমরা জানি না।

সংবাদ সম্মেলনে মাহদী আমিন জামায়াতের রাজনৈতিক অবস্থানের ধারাবাহিকতা ও স্পষ্টতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, একদিকে জামায়াত আমিরের পুরোনো বক্তব্যে নারীদের কর্মঘণ্টা কমিয়ে ঘরের দিকে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে, আবার এখন তারা নারী মন্ত্রী করার কথা বলছে—অথচ এই নির্বাচনে তারা একজন নারী প্রার্থীকেও মনোনয়ন দেয়নি। এর বিপরীতে বিএনপিকে ‘নারীর ক্ষমতায়নের দল’ হিসেবে দাবি করে তিনি জানান, বিএনপির হাত ধরেই দেশে নারী শিক্ষা ও কর্মসংস্থানে বিপ্লব ঘটেছে এবং তারেক রহমানের ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পরিকল্পনা সেই ধারাবাহিকতারই অংশ। 

এই বিভাগের আরও খবর

রাজনীতি

সর্বশেষ খবর

হাইকোর্টে রিট করেছেন নুসরাত

ড. ইউনূসের আমলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ

মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র আপিলেও বাতিল

শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন সংগ্রামের প্রতীক

ঢাকা দক্ষিণ এনসিপির আহ্বায়ক ইসহাক, সদস্য সচিব শাহরিয়ার

‘গুপ্ত রাজনীতি’ নিষিদ্ধের দাবি বাংলাদেশ ছাত্র জমিয়তের

আবিদুলের অভিযোগের জবাব দিলেন সাদিক কায়েম

জুলাই আন্দোলনে গুলি চালানো সোলায়মান ফের আ.লীগের মিছিলে

সর্বাধিক পঠিত

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এককভাবে লড়বে জামায়াত

পাবনায় দলীয় নেতাকে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় জামায়াতের প্রতিক্রিয়া

১০ দলীয় জোট ক্ষমতায় গেলে জনবান্ধব দেশ গড়ে তুলব

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি হত্যার প্রতিবাদে ঢাকায় বিক্ষোভ ডেকেছে জামায়াত

বহিষ্কার ও গণপদত্যাগে সংকটে মুন্সীগঞ্জ বিএনপি

নতুন করে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে চাইলে জনগণ জবাব দেবে

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোটের প্রস্তাব চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পথে: সালাহউদ্দিন

নির্বাচনে দুর্নীতিবাজদের লাল কার্ড -গোলাম পরওয়ার

নির্বাচনে অংশ নিলেও জামায়াত একটি আসনও পাবে না: মহিবুল্লাহ বাবুনগরী

ইইউ পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের বৈঠক