বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ভেঙে ধানের শীষের প্রচারণায় পাবিপ্রবি শিক্ষক

Post Image


পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের ৪৭(৫) ধারা অনুযায়ী, “কোনো শিক্ষক বা কর্মকর্তা রাজনৈতিক মতামত পোষণের স্বাধীনতা ভোগ করবেন; তবে তিনি সেই মতামত প্রকাশ বা প্রচার করতে পারবেন না এবং কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত করতে পারবেন না” বলে উল্লেখ থাকলেও সেই আইনের তোয়াক্কা না করে ধানের শীষের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণার অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে। তিনি ঐ বিভাগের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন।

গতকাল মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে পাবিপ্রবি ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক একরামুল হক লিমনের ফেসবুক আইডি থেকে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, পাবনা-৫ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের নির্বাচনী গণসংযোগ কর্মসূচীতে লিফলেট হাতে স্লোগান দিচ্ছেন অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামান। একই সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক কেএম তরিকুল ইসলাম তার ফেসবুক আইডিতে ঐ নির্বাচনী প্রচারণার ছবি নিয়ে পোস্ট করেন। এরপরই ঐ ভিডিও এবং ছবিগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।  

এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও পাবনার নাগরিক সমাজের ভেতরে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। সরকারি বেতনভুক্ত একজন শিক্ষক হয়ে সরাসরি রাজনৈতিক প্রচারণায় অংশ নেওয়াকে সংশ্লিষ্টরা ‘পেশাগত অসদাচরণ’ ও ‘নির্বাচনী আইন লঙ্ঘন’ হিসেবে দেখছেন তারা।

সংসদ নির্বাচন আচরণ বিধিমালা ২০২৫ (সংশোধিত ২০২৬) অনুযায়ী, সরকারি, আধা-সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী কোনো প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন না। এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি প্রার্থীর বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে।

এছাড়া গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (RPO), ১৯৭২-এর ৮৬ ধারায় উল্লেখ রয়েছে, সরকারি কর্মে নিয়োজিত কোনো ব্যক্তি তাঁর পদ বা প্রভাব ব্যবহার করে বা সরাসরি প্রচারণায় অংশ নিয়ে নির্বাচনী ফলাফল প্রভাবিত করতে পারবেন না। এই অপরাধের জন্য ১ থেকে ৫ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ভঙ্গের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এ সম্পর্কে কোন উত্তর দেননি। নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ করা সম্পর্কে জানতে চাইলে অধ্যাপক ড. কামরুজ্জামান বলেন, “আচরণবিধি সম্পর্কে আমার বিষয়টা সেভাবে জানা ছিলনা।” 

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বিজন কুমার ব্রহ্ম বলেন, “শিক্ষকদের বিষয়টা তো অনেক কিছু বিবেচনায় নিতে হয়। এ বিষয়টা এখনো আমার নজরে আসেনি এবং কেউ এখন পর্যন্ত অভিযোগ ও দেয়নি। যদি অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হয় তাহলে কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিবেন।”

এই বিভাগের আরও খবর

রাজনীতি

সর্বশেষ খবর

হাদি হত্যা মামলার আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চার মাসেও দেয়নি নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব, জরিমানা গুণতে পারে ৭টি দল

বিপ্লবের মাস জুলাইয়ে দেশজুড়ে পদযাত্রা করবে এনসিপি

হামে শিশু মৃত্যুর দায়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি সেলিম উদ্দিনের

বিশ্ব মাদকবিরোধী দিবস: টঙ্গীতে ছাত্রশিবিরের সাইকেল র‍্যালি

চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক শুর

‘সারাদেশে ৩০০ শিশুর মৃত্যুতে কেন পদত্যাগের কথা ভাবলেন না স্বাস্থ্যমন্ত্রী’

বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

সর্বাধিক পঠিত

মুখোশ গণতন্ত্রের নামে ভেতরের বাকশাল কায়েম করেছিল হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান যা যা সুবিধা পাবেন

মার্কা নয়, মানুষ প্রার্থী দেখে ভোট দেবে: রুমিন ফারহানা

ঢাকা- ৮ আসনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর মনোনয়ন বৈধ

ফটিকছড়িতে আ’লীগের মশাল মিছিল

সরকার গঠনের সুযোগ পেলে সব দলকেই সাহায্যকারী হিসেবে চাইব

যে কারণে মনিরা ও নুসরাতের মনোনয়নপত্র বাতিল

তৃতীয়বারের মতো বিএনপি জিতবে নাকি জামায়াতের অভিষেক?

জামায়াত আমিরের সঙ্গে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন প্রধানের সাক্ষাৎ

জামায়াত আমিরের সঙ্গে ব্রুনাইয়ের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ