বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ আট দলের জোটে যাওয়ার সিদ্ধান্তের পক্ষে মত দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর ১১৪ জন কেন্দ্রীয় নেতা। দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের কাছে পাঠানো একটি চিঠিতে তাঁরা সম্মতি জানান। এনসিপির একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে এবং ১২০ ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
দলীয় সূত্র অনুযায়ী, জামায়াতের সঙ্গে জোটে যাওয়ার বিপক্ষে মত দিয়েছেন ৩০ জন নেতা। তবে কেন্দ্রীয় কমিটির বাকি সদস্যদের একটি অংশ এখনো স্পষ্ট অবস্থান নেননি। তাঁরা দোদুল্যমান অবস্থায় রয়েছেন বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে এনসিপির দায়িত্বশীল কেউ প্রকাশ্যে মন্তব্য করতে রাজি হননি।
বিশ্বস্ত সূত্রে পাওয়া চিঠিতে বলা হয়, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুনর্গঠন, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার টেকসই করা এবং একটি জনমুখী ও দায়বদ্ধ রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য সময়োপযোগী ও কৌশলগত সিদ্ধান্ত জরুরি। দলীয় স্বার্থ, জাতীয় স্বার্থ এবং গণতান্ত্রিক রূপান্তরের বৃহত্তর লক্ষ্যকে সামনে রেখে এনসিপি যদি কোনো রাজনৈতিক দল বা জোটের সঙ্গে নির্বাচনী সমঝোতা কিংবা জোট গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়, তাতে তাঁদের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে।
চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, নির্বাহী কাউন্সিলের সুপারিশের আলোকে আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব কর্তৃক গৃহীত যেকোনো জোট বা নির্বাচনী সমঝোতা–সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের প্রতিও স্বাক্ষরকারীদের আস্থা ও সমর্থন রয়েছে। নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে এনসিপি একটি ঐক্যবদ্ধ ও গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্তে পৌঁছাবে—এমন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করা হয়।
জামায়াত জোটের পক্ষে স্বাক্ষর করা ১১৪ জন নেতার মধ্যে রয়েছেন দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব, যুগ্ম আহ্বায়ক জাবেদ রাসিন, সারোয়ার তুষার, ড. আতিক মুজাহিদ, আলাউদ্দীন মোহাম্মদ, যুবশক্তির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম, যুবশক্তির সেক্রেটারি ডা. জাহিদুল ইসলাম, মুখ্য সংগঠক ফরহাদ সোহেলসহ কেন্দ্রীয় ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ ও মধ্যম সারির নেতারা।
এ ছাড়া নারী নেত্রী, চিকিৎসক, আইনজীবী, সংগঠক ও বিভিন্ন পেশাজীবী প্রতিনিধিরাও এই চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন। তালিকায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্বও রয়েছে, যা দলটির অভ্যন্তরীণ বৈচিত্র্যকে তুলে ধরে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ১১৪ নেতার সমর্থন এনসিপির ভেতরে জামায়াতের সঙ্গে জোটের পক্ষে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে। যদিও দলের ভেতরের বিরোধ এখনো পুরোপুরি মিটেনি, তবু সংখ্যাগতভাবে জোটপন্থীরা এগিয়ে থাকায় আজ বা শিগগিরই এনসিপির পক্ষ থেকে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটে যাওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে।
যারা জোটের পক্ষে মত দিয়েছেন তারা হলেন:
১. আরিফুল ইসলাম আদীব-সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক,
২.জাবেদ রাসিন-যুগ্ম আহ্বায়ক।
৩. মাহমুদা আলম মিতু -যুগ্ম মুখ্য সংগঠক
৪. আলী নাছের খান
৫. তাহসীন রিয়াজ
৬. মোহাম্মদ মিরাজ মিয়া
৭. মাহিন সরকার
৮. আশিকিন আলম
৯. সারোয়ার তুষার
১০. এহতেশাম হক
১১. কৈলাশ চন্দ্র রবিদাস
১২. ডা. মো. আব্দুল আহাদ
১৩. মশিউর রহমান
১৪. আশরাফ উদ্দীন মাহদী
১৫. আলাউদ্দীন মোহাম্মদ
১৬. আতিক মুজাহিদ
১৭. দিলশানা পারুল
১৮. এম এম শোয়াইব
১৯. মো. সোহেল রানা
২০. মো. রফিকুল ইসলাম কনক
২১. গোলাম মর্তুজা সেলিম
২২. জয়নাল আবেদীন শিশির
২৩. আবু সাঈদ লিয়ন
২৪. ডা. মনিরুজ্জামান
২৫. আবু সাঈদ মুসা
২৬. মাহবুব আলম
২৭. ইয়াহিয়া জিসান
২৮. ডা. আব্দুল আহাদ
২৯. সুলতান মোহাম্মদ জাকারিয়া
৩০. মো. আরফুল দরিয়া
৩১. মুফতি ইনজাম
৩২. এহতেশামুল হক
৩৩. ইফতেখারুল ইসলাম
৩৪. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জিহান
৩৫. হাফসা জাহান
৩৬. রাসেল আহমেদ
৩৭. জুবাইরুল আলম মানিক
৩৮. আসাদুল ইসলাম মুকুল
৩৯. মুফতি ইনজিমামুল ইসলাম
৪০. ইসমাইল হোসেন সিরাজী,
৪১. তুহিন মাহমুদ
৪২. মশিউর আমিন শুভ
৪৩. আজাদ আহমেদ পাটওয়ারী
৪৪. তানজিল মাহমুদ
৪৫. তৌহিদ হোসেন মজুমদার
৪৬. হিফজুর রহমান বকুল
৪৭. মুকুল আহমেদ
৪৮. আরিফুর রহমান তুহিন
৪৯. ফয়সাল মাহমুদ শান্ত
৫০. নাহিদ উদ্দিন তারেক
৫১. নফিউল ইসলাম
৫২. প্রীতম সোহাগ
৫৩. ইমরান নাঈম
৫৪. সানাউল্লাহ খান
৫৫. মো. আতাউল্লাহ
৫৬. এহসানুল মাহবুব জোবায়ের
৫৭. আব্দুল্লাহ আল ফয়সাল
৫৮. ভীমপাল্লী ডেভিড রাজু
৫৯. আহমেদুর রহমান তনু
৬০. আসাদুল্লাহ আল গালিব
৬১. মো.রাসেল মোল্লা
৬২. সাকিব শাহরিয়ার
৬৩. সাকিব মাহদি
৬৪. ফিহাদুর রহমান দিবস
৬৫. ইমরান তুহিন
৬৬. জোবাইরুল হাসান আরিফ
৬৭. মোল্লা মোহাম্মদ ফারুক এহসান
৬৮. মশিউর রহমান রায়হান
৬৯. অ্যাডভোকেট সাকিল আহমদ
৭০. ডা. জাহিদুল বারী
৭১. মো. ফাহিম রহমান খান পাঠান
৭২. সাইফুল ইসলাম
৭৩. প্লাবন তারিক
৭৪. ব্যারিস্টার নুরুল হুদা জুনেদ
৭৫. ইমরান শাহরিয়ার
৭৬. সাইফুল ইসলাম
৭৭. ডা. মিনহাজুল আবেদীন
৭৮. আকরাম হোসেন (রাজ)
৭৯. আল আমিন আহমেদ টুটুল
৮০. খায়রুল কবির
৮১. মো. আব্দুর রহমান
৮২. সাগুফতা বুশরা মিশমা
৮৩. এডভোকেট মো. ছেফায়েত উল্যা
৮৪. মশিউর রহমান
৮৫. মনজিলা ঝুমা
৮৬. তৌহিদ আহমেদ আশিক
৮৭. আকরাম হুসেইন
৮৮. মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন
৮৯. আব্দুল্লাহ আল মুহিম
৯০. মোল্যা রহমাতুল্লাহ
৯১. জামিল হিজাযী (সাইয়েদ জামিল)
৯২. জায়েদ বিন নাসের
৯৩. আব্দুল্লাহ আল মামুন
৯৪. মো. আব্দুল মুনঈম
৯৫. তানহা শান্তা
৯৬. আব্দুল্লাহিল মামুন নিলয়
৯৭. নিজাম উদ্দিন
৯৮. এডভোকেট তারিকুল ইসলাম, আহ্বায়ক, যুবশক্তি -
৯৯. ডা. জাহিদুল ইসলাম, সেক্রেটারি, যুবশক্তি।
১০০. আব্দুল হান্নান মাসুদ
১০১. ফরহাদ সোহেল, মুখ্য সংগঠক, যুবশক্তি।
১০২. এডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন
১০৩. এডভোকেট জহিরুল ইসলাম
১০৪. আবু সাইদ সুজা উদ্দিন
১০৫. প্রীতম দাস
১০৬. এডভোকেট হুমায়রা নূর
১০৭. নাহিদা বুশরা
১০৮. খোকন চন্দ্র বর্মণ
১০৯. সাইফুল্লাহ হায়দার
১১০.জাহিদুল ইসলাম সৈকত
১১১. মো. মেসবাহ কামাল
১১২. ইঞ্জিনিয়ার আবুল বাশার
১১৩. মো. নাজমুল হাসান সোহাগ
১১৪. মো. দিদার শাহ্







