হত্যা মামলায় সীমান্তের ২ চিহ্নিত সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার

Post Image

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্ত এলাকার আলোচিত দুই শীর্ষ সন্ত্রাসীকে জনি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে নাটোরের বড়াইগ্রাম হাইওয়ে এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—জামালপুর গ্রামের কাবের আলীর ছেলে নাজমুল (৩৫) এবং একই এলাকার ছামুর ছেলে লালু (৪৬)। তারা দীর্ঘদিন ধরে ওই অঞ্চলে অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায় জড়িত এবং তাদের নামে একাধিক হত্যা, অস্ত্র ও মাদক মামলা রয়েছে।

এর আগে, হত্যার দিনগত রাতেই এ মামলার আরও দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন—জামালপুর গ্রামের দুল্লোব আলীর ছেলে সিকান্দার আলী (৬০) এবং জাহিদুল ইসলামের ছেলে আসিফ হোসেন (১৫)। এ নিয়ে মামলায় মোট চারজনকে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ।

জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডের পর নিহত জনির মা হাসু খাতুন বাদী হয়ে ২৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১৫-২০ জনকে আসামি করে দৌলতপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর রাতেই পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে প্রথম দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ নভেম্বর দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের মহিষকুণ্ডি মাঠপাড়া এলাকায় দুপুরে প্রকাশ্য দিবালোকে জনি হোসেনকে (৩২) কুপিয়ে ও পায়ের রগ কেটে হত্যা করা হয়। ওই অঞ্চলের চিহ্নিত শীর্ষ অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ী সোহান, লালু, নাজমুলসহ ৩০-৪০ জন এই হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয়। নিহত জনি ছিলেন জামালপুর এলাকার মৃত জাকির হোসেনের ছেলে। জনি দীর্ঘদিন ধরে সোহানের হয়ে অস্ত্র ও মাদক বহনের কাজ করতেন। কিন্তু পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে গত ২৮ নভেম্বর সন্ধ্যায় তাদের মধ্যে তুমুল বাগবিতণ্ডা ও মারধরের ঘটনা ঘটে। এতে জনির পিঠে সেলাই দিতে হয় এবং সোহান তাকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দেয়। প্রাণভয়ে সেদিন রাতেই জনি মহিষকুন্ডি মাঠপাড়া এলাকায় আশ্রয় নেন। পরদিন শনিবার দুপুরে বাড়ি ফেরার সময় সোহানের নেতৃত্বে বড় একটি সশস্ত্র দল জনির ওপর হামলা চালায়। দেশীয় অস্ত্র দিয়ে নির্মমভাবে কুপিয়ে নিশ্চিত মৃত্যু ঘটানো হয়। আতঙ্ক ছড়াতে হামলাকারীরা কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলিও ছোড়ে।

এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলাইমান শেখ কালবেলাকে বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুষ্টিয়া পুলিশের একটি টিম নাজমুল ও লালুকে বড়াইগ্রাম হাইওয়ে এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে সন্ধ্যায় দৌলতপুর থানায় হস্তান্তর করেছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দেলোয়ার হোসেন বলেন, জনি হত্যা মামলার ১ ও ৫ নম্বর আসামি ঢাকায় পালিয়ে যাচ্ছিল। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তাদের আমার একটি টিম গ্রেপ্তার করেছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এই বিভাগের আরও খবর

অন্যান্য

News Image

কাতারে শুরু প্রথম বাংলাদেশি আম উৎসব

বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন, ২০২৫

সর্বশেষ খবর

শিবির নেতাদের একযোগে ‘ধর শালারে’ পোস্ট; নেপথ্যে কী ?

প্রবাসীদের বৌকে নিয়ে কটূক্তি করা সেই টিকটকারকে ফলো করেন তারেক রহমান

মস্তিষ্ক সুস্থ রাখার কিছু কার্যকর টিপস

শীতে নারীদের হাত-পা পুরুষের তুলনায় বেশি ঠান্ডা থাকে যে কারণে

সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখা যায় একই স্থানে, পর্যটনের নতুন দুয়ার খুললো

চোখ, লিভার ও দেহের সুস্থতায় গাজর

শীতের রাতে মোজা পরে ঘুমানো, কি বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

শীতে কুসুম গরম পানি পানের বিভিন্ন উপকারিতা

সর্বাধিক পঠিত

ঢাকা শহরে জনবান্ধব স্যানিটেশন নিশ্চিতে বহুদলীয় উদ্যোগ

সাদাপাথরে বিছিয়ে দেওয়া হলো জব্দকৃত ১২ হাজার ঘনফুট পাথর

জাতিসংঘে রোহিঙ্গা পরিস্থিতি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের সম্মেলন আজ

ভুল বিকাশ নম্বরে টাকা চলে গেলে ফেরত পাবেন যেভাবে

মাদকেও সেনাবাহিনীর যুগান্তকারী অ্যাকশনের অপেক্ষা

চীন সফরে গেলেন ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী

রাজধানীতে পানির ট্যাংক পরিষ্কারের সময় বিস্ফোরণ, শিশুসহ দগ্ধ ৪

‘গৃহশ্রমিক সুরক্ষা নীতি’ বাস্তবায়নের দাবি

মধ্যরাতে রাজধানীর সড়কে ঝরল পাঁচ প্রাণ

'আমেরিকায় এক আওয়ামী চোর পরিবার রোলস রয়েসে মসজিদে যায়'