পূর্বের বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষকদের জন্য বরাদ্দকৃত প্রভিডেন্ট ফান্ড (সঞ্চয় তহবিল) থেকে ২০০ কোটি টাকা উত্তোলন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন খাতে ব্যয় করে ফেলেছে। যে কারণে সেই ফান্ড এখন শূন্য। এই বড়ো অঙ্কের টাকার ঋণ পরিশোধের সাধ্য নেই বর্তমান বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের। এজন্য নানা অর্থাভাবে রয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।
আর এদিকে এখন আমার কাছে ১০০ টাকা আছে, আপনারা (চাকসু) যদি ২০০ টাকা চান, আমি তো দিতে পারব না, আমাকে মেরে ফেললেও সেই অর্থ দেওয়ার সামর্থ্য নাই। এজন্য আপনারা (চাকসু) আমাদের চাপ কম দেবেন। গত ১৬ বছর আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে কি কি কাজ হয়েছে আর গত এক বছরে বর্তমান প্রশাসন কি কি কাজ করেছে-করছে, সেগুলো খোঁজ নেবেন। বর্তমানে আমাদের অনেকগুলো প্রকল্পের কাজ চলছে, খুব শিগ্গিরই আরো কাজ শুরু হবে এবং আরো বেশকিছু প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, সামনে আরও অনেক কিছু কাজের পরিকল্পনাধীনও রয়েছে।
আজ বুধবার (১৯ নভেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের এক সংবর্ধনা সভায় এসব কথা বলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রুটিন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শামীম উদ্দিন খান। বিভাগ থেকে নির্বাচিত ১৪ জন চাকসু ও হল সংসদ প্রতিনিধিকে আরবি বিভাগের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি আরও বলেন, আমি সরকারের কাছে অনুরোধ জানাই, বাংলাদেশের জিডিপির ১০ শতাংশ অর্থ যেন শিক্ষাব্যবস্থায় বরাদ্দ দেওয়া হয়।
এ সময় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন কলা অনুষদের সাবেক ডিন ও বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আ. ক. ম আবদুল কাদের, বর্তমান চেয়ারম্যান ড. গিয়াসউদ্দিন তালুকদার, ড. মুহাম্মদ নেয়ামত উল্লাহ, ড. আব্দুল মান্নান, ড. শফিউল্লাহ কুতুবি, ড. মোহাম্মদ নূর হোসাইন, ড. মোহাম্মদ ইউনূস, ড. ওসমান মেহেদীসহ বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।
চাকসুতে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে কলা অনুষদের সাবেক ডিন ও বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আ. ক. ম আবদুল কাদের বলেন, ফান্ড নেই একথা বলা যাবে না, ফান্ড কালেক্ট করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে অর্থ না পেলে প্রয়োজনে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অ্যালামনাই কিংবা বড়ো বড়ো কোম্পানির দ্বারস্থ হতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে একটা কথা সমাদৃত আছে, তা হলো— দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে চরিত্র ও সততার জন্য আরবি বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিশ্বস্ত। এই আস্থা তোমাদেরকে ধরে রাখতেই হবে। এ ছাড়া চাকসুতে কীভাবে লিডিং পয়েন্টে থেকে পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সার্বিক কল্যাণ, সহযোগিতা ও নেতৃত্ব দেওয়া যায়, সে বিষয়ে বিভিন্ন পরামর্শ দেন তিনি।







