খাগড়াছড়ি জেলার গুইমারা উপজেলায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের পর তুলা ছবি ব্যবহার করে “অর্ধশতাধিক পাহাড়ি-বাঙালি শিক্ষার্থীর ছাত্রদলে যোগদান” শিরোনামে সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত সংবাদকে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন বটতলা পাড়ার শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীরা জানান, গত ৩১ অক্টোবর (শুক্রবার) বিকেল ৩টায় গুইমারা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের অডিটরিয়ামে এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠান শেষে গুইমারা উপজেলা সাংস্কৃতিক কমিটি গঠন করা হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের একটি হারমোনিয়াম উপহার দেওয়া হবে এবং ঐতিহ্যবাহী পোশাকে অংশ নিতে অনুরোধ করা হয়।
আমন্ত্রণ পেয়ে বথিবাং তংজই (বটতলা পাড়া) এলাকা থেকে ১৫ জন সাংস্কৃতিক চর্চাকারী শিশু ও কিশোর ওই অনুষ্ঠানে অংশ নেয়। তাদের মধ্যে ৩ জনের বয়স ১৮ বছরের বেশি, ৪ জন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের (চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণি) শিক্ষার্থী এবং বাকি ৮ জন মাধ্যমিক স্তরের (ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণি) শিক্ষার্থী।
শিক্ষার্থীরা বলেন, “আমাদের মঞ্চে তুলে সম্মানসূচকভাবে রজনীগন্ধা ফুল দেওয়া হয়। আমরা ভেবেছিলাম এটি কেবল সাংস্কৃতিক অংশগ্রহণের স্বীকৃতি। কিন্তু পরবর্তীতে সামাজিক মাধ্যমে আমাদের ছবি ছড়িয়ে বলা হয় আমরা ছাত্রদলে যোগ দিয়েছি— যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও প্রতারণামূলক।”
তারা আরও জানান, “আমরা রাজনীতি করার মতো বয়সে পৌঁছাইনি। আমাদের সম্মতি ছাড়াই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়েছে, যা আমাদের মানসিকভাবে কষ্ট দিয়েছে।”
বটতলা পাড়ার শিক্ষার্থীরা এক বিবৃতিতে ওই সংবাদকে সম্মানের সঙ্গে প্রত্যাখ্যান করে বলেন,
“আমাদের পড়াশোনায় বা মানসিক স্বাস্থ্যে যেন কোনো প্রভাব না ফেলে— সেই কারণে আমাদের ছবি বা নাম রাজনৈতিক প্রচারণায় ব্যবহার না করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।”







