পার্বত্য চট্টগ্রামকে বিশেষ স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল হিসেবে পরিচালনা এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর জন্য সংবিধানে ‘আদিবাসী’ পরিচয়ের স্বীকৃতির প্রস্তাব দেওয়ায় ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য হেমা চাকমার সমালোচনা করেছেন ডাকসু সদস্য ও শিবির নেতা মিফতাহুল হোসাইন আল মারুফ । তার দাবি, হেমা চাকমার এই প্রস্তাব বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি।
আজ বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে এসব কথা বলেন মিফতাহুল হোসাইন আল মারুফ ।
তিনি বলেন, “বিএনপির ছায়াতলে বসে, সংবিধান সংশোধন কমিটিতে হাজির হয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর জন্য ‘আদিবাসী’ উপাধি এবং ‘স্বায়ত্তশাসন’-এর যে দাবি ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য হেমা চাকমা তুলেছেন, আমি এই দাবীকে অত্যন্ত ধৃষ্টতাপূর্ণ ও ষড়যন্ত্রমূলক হিসেবেই দেখি এবং তীব্র বিরোধিতা করি।”
মিফতাহুল মারুফ বলেন, “আমি হেমা চাকমার তথাকথিত ‘আদিবাসী পলিটিক্স’-এর আড়ালে স্বায়ত্তশাসনের এই দাবি স্বাধীন বাংলাদেশের অখণ্ডতা, সার্বভৌমত্ব এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য সরাসরি হুমকি মনে করি। যা বাংলাদেশের রাজনীতিতে আপসযোগ্য নয়। ”
ডাকসুর অন্য নেতাদের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “সংবিধান সংশোধন কমিটির ওই তথাকথিত বৈঠকে ডাকসুর ভিপি-জিএসসহ অনেকেই দাওয়াত পেয়েছিলেন। কিন্তু তারা সেই বৈঠক বয়কট করে প্রমাণ করেছেন, বিএনপির এই রাজনৈতিক নাটকে অংশ নেওয়া মানে দেশের ৭০% মানুষের সমর্থনের সাথে স্রেফ প্রতারণা করা।”
মিফতাহুল মারুফ বলেন “ডাকসু সদস্য হিসেবে শিক্ষার্থীদের জন্য তারা কী কাজ করেছেন, তা নিয়ে আমার বিন্দুমাত্র মাথাব্যথা নেই। সাংবাদিক সামনে পেলেই ডাকসুর বাকি সবাইকে ঢালাওভাবে অভিযুক্ত করা যার নিয়মিত অভ্যাস, ওনাদের কাছে এর চেয়ে বেশি কিছু আশাও করি না।”







