এইচআরএসএসের প্রতিবেদন

সেপ্টেম্বরে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ৪, আহত ৫২৭

Post Image

দেশের বিভিন্ন স্থানে গত সেপ্টেম্বরে রাজনৈতিক সহিংসতার ৬৮টি ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছে। এ সময় ৫২৭ জনের বেশি নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ আহত হয়। একই মাসে গণপিটুনি বা মব সহিংসতার ৩৫টি ঘটনায় অন্তত ৯ জন নিহত এবং ৩২ জন আহত হয়েছে।শনিবার মানবাধিকার সংগঠন ‘হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি’ (এইচআরএসএস) প্রকাশিত মাসিক প্রতিবেদনে এ চিত্র উঠে এসেছে।

দেশের ১৬টি জাতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ, সংগঠনটির সংগৃহীত তথ্য এবং ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সেপ্টেম্বরে মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এ সময় সারা দেশে ২৩৬ জন নারী ও কন্যাশিশু ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এ সময়ে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত হয়েছে চারজন এবং আহত হয়েছে ৫২৭ জন। গণপিটুনিতে অন্তত ৯ জন নিহত এবং ৩২ জন আহত হয়েছে।

এইচআরএসএস জানায়, সেপ্টেম্বরে সারা দেশে ২৩৬ নারী ও কন্যাশিশু ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এর মধ্যে ধর্ষণের শিকার অন্তত ৭৯ জন, যার ৬০ শতাংশই (৪৭ জন) অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশু-কিশোরী। ১৩ জন নারী ও শিশু গণধর্ষণের শিকার হয় এবং ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় পাঁচজনকে।

অন্যদিকে মাসজুড়ে নানা সহিংসতায় ৭৮ জন শিশু প্রাণ হারিয়েছে। পারিবারিক সহিংসতায় মারা গেছেন আরো ৪৩ নারী।

প্রতিবেদনে বলা হয়, কেবল বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলেই ঘটে ৩৫টি ঘটনা, যাতে একজন নিহত ও অন্তত ৩৪০ জন আহত হয়। বিএনপি-জামায়াতের মধ্যে সাতটি সংঘর্ষের ঘটনায় আহত ৬১ জন। বিএনপি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মধ্যে সংঘর্ষে ছয় ঘটনায় নিহত একজন ও আহত ৪২ জন।

জামায়াত-আওয়ামী লীগের দুটি সংঘর্ষের ঘটনায় নিহত একজন ও আহত তিনজন। বিএনপি-এনসিপির মধ্যে তিনটি সংঘর্ষে আহত হয়েছে ১৬ জন। সাতটি বিএনপি ও অন্য দলের মধ্যে সংঘর্ষে ১৫ জন আহত হয়েছে।

বিভিন্ন দলের মধ্যে সাতটি ঘটনায় আহত হয়েছে ৫০ জন ও নিহত একজন। নিহত চারজনের মধ্যে আওয়ামী লীগের দুজন, বিএনপির একজন ও জামায়াতের একজন।

এছাড়া আধিপত্য বিস্তার ও চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে ৬৩টি বাড়িঘর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও দলীয় কার্যালয়ে হামলা-লুটপাট চালানো হয়। যৌথ অভিযান ও বিশেষ অভিযানে ২৮৭টি ঘটনায় অন্তত ২১ হাজার ২০৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আইনশৃঙ্খলার দুর্বলতায় ৩৫টি মব সহিংসতার ঘটনায় ৯ জন নিহত ও ৩২ জন আহত হয়েছে। বিভিন্ন কারাগারে ২১ জন বন্দির মৃত্যু হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে ও নির্যাতনে মারা গেছে তিনজন। পরিত্যক্ত স্থান ও নদী-খাল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৬৯টি লাশ। পাশাপাশি ৩৫ জন সাংবাদিক নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছেন।

এইচআরএসএসের নির্বাহী পরিচালক ইজাজুল ইসলাম বলেন, সামাজিকমাধ্যমে মতপ্রকাশে বাধা, মব সহিংসতা ও কারা হেফাজতে মৃত্যু নাগরিক অধিকারকে ক্ষুণ্ণ করছে। মানবাধিকার রক্ষায় সরকারকে দ্রুত জবাবদিহিমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

এই বিভাগের আরও খবর

জাতীয়

সর্বশেষ খবর

সেপ্টেম্বরে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ৪, আহত ৫২৭

রাতে দেড় ঘণ্টায় তিনবার, ভোরে ফের ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ

বিএনপি-জামায়াত দ্বন্দ্ব , রাজনীতিতে নতুন উদ্বেগ

বিবাহ রেজিস্ট্রেশনের তথ্য এনআইডি ও পাসপোর্টের সঙ্গে যুক্ত করা হবে: আইনমন্ত্রী

সরকারকে দুর্বল মনে করলে, তা ভুল হবে: চিফ হুইপ

মানুষকে হয়তো বেহেশতের গ্যারান্টি দিতে পারব না, উন্নয়নের গ্যারান্টি দেব

আইনি ব্যবস্থা ছাড়া এমপিকে পদত্যাগের নির্দেশ সেইফ এক্সিটের প্রচেষ্টা: সাদিক কায়েম

পিএসসির সুপারিশের পরও বাদ পড়া ৪৬ জনের গেজেট আগামী সোমবার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সর্বাধিক পঠিত

চাঁদা না দেওয়ায় বিএনপি নেতাকে বেধড়ক পেটালেন আ.লীগ নেতা

সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্যদের শপথ আজ

ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান

হারিয়ে যাওয়া ৫১টি মোবাইল প্রকৃত মালিকদের ফিরিয়ে দিলো পুলিশ

৮ প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর পুনর্বণ্টন

বিরোধী দল হিসেবে মডেল বাজেট প্রস্তাবনা দেবে জামায়াত

নাসিরউদ্দীনের গালি শুনে আমরা অভ্যস্ত : সিইসি

শপথ অনুষ্ঠানে ১৩ দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টা

নতুন পে স্কেল নিয়ে সচিব কমিটির বৈঠক আজ, আলোচনায় যেসব ইস্যু

রমজানকে স্বাগত জানিয়ে যে বার্তা দিলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ