ইরানকে চীন কোনো ধরনের সহায়তা দিলে তা যুক্তরাষ্ট্র মেনে নেবে না চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে এমন বার্তা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের চীনে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত ডেভিড পারডিউ এ তথ্য জানিয়েছেন। খবর রয়টার্সের।
আজ শুক্রবার সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পারডিউ বলেন, বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের বৈঠকে বিষয়টি সরাসরি আলোচনা হয়েছে।
তিনি বলেন, ইরানকে চীনের সরাসরি কিংবা পরোক্ষ যেকোনো ধরনের সহায়তাকেই যুক্তরাষ্ট্র অগ্রহণযোগ্য হিসেবে দেখে। এর মধ্যে গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ, বিভিন্ন যন্ত্রাংশ দেওয়া কিংবা সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহের মতো বিষয়ও রয়েছে।
পারডিউ বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গতকালও বিষয়টি খুব স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন। এটি একটি চলমান বার্তা।
মার্কিন রাষ্ট্রদূতের মতে, ট্রাম্প ও শির বৈঠকটি ছিল খোলামেলা ও সরাসরি। দুই দেশের নেতার মধ্যে ধীরে ধীরে পারস্পরিক আস্থা তৈরি হচ্ছে এবং তারা বিভিন্ন জটিল বিষয় নিয়েও আলোচনা করছেন বলে জানান তিনি।
ইরানকে চীনের সহায়তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ অবশ্য নতুন নয়। এর আগে মার্কিন আইনপ্রণেতারা অভিযোগ করেছিলেন, চীনের কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ইরানকে অর্থনৈতিক ও সামরিক সহায়তা দিয়ে আসছে।
অভিযোগগুলোর মধ্যে ইরানকে স্যাটেলাইট থেকে পাওয়া গোয়েন্দা তথ্য দেওয়া, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন তৈরির যন্ত্রাংশ সরবরাহ এবং নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা ইরানি তেল বিক্রিতে সহযোগিতার বিষয়ও রয়েছে।
তবে চীন এসব অভিযোগের বিষয়ে প্রমাণ চেয়েছে এবং আগে জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক আইন ও নিজেদের আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতা মেনেই তারা কার্যক্রম পরিচালনা করছে।







