রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) জুলাই- আগস্ট গণঅভ্যুত্থান দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে দিনব্যাপী কর্মসূচি একটি ব্যানারকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল-শিবিরের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় রংপুর মহানগর ছাত্রদল ও শিবির আবু সাঈদ চত্বরে বিক্ষোভ সমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করে। এতে ক্যাম্পাসের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ১৪৪ ধারা জারি করতে রংপুর তাজহাট থানায় আবেদন জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেল ৪টায় রংপুর মহানগর ছাত্রদল শহীদ আবু সাঈদ চত্বরে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছে। অন্যদিকে বিকেল সাড়ে পাঁচটায় রংপুর মহানগর ছাত্রশিবির লালবাগ থেকে একটি বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ মিছিল নিয়ে একই আবু সাঈদ চত্বর( বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ নম্বর গেট) জায়গায় সমাবেত হওয়ার কর্মসূচি দিয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ডাক্তার ফেরদৌস রহমানের স্বাক্ষরিত এক চিটিতে উল্লেখ করা হয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে গত ৩ আগস্ট বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির ও ছাত্রদলের মধ্যে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ৫ জন শিক্ষার্থী গুরুতর আহতসহ আরও ২০ শিক্ষার্থী আহত হওয়ায় তারা রংপুর মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন। উক্ত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান গেইটে শিবির ও ছাত্রদল একই জায়গায় বিক্ষোভ মিছিল ও সভা-সমাবেশের ডাক দেওয়ায় ক্যাম্পাসের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হতে পারে। তাই এই সময়ে ক্যাম্পাসের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ১৪৪ ধারা জারিসহ সার্বিক সহযোগিতা প্রয়োজন।
অন্য একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে, ক্যাম্পাসে বর্তমান পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ক্যাম্পাসে বহিরাগত দর্শনার্থীসহ সব প্রকার যানবাহন প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকবে।
১৪৪ ধারা জারি বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ফেরদৌস রহমান বলেন, ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির একই জায়গায় সমাবেশের ডাক দেওয়ায় আমরা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবেশকে শান্ত স্থিতিশীল রাখার জন্য ১৪৪ ধারা জারি করতে ব্যবস্থা নিয়েছি।
বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ফাঁড়ির এসআই রাশেদ বলেন, ১৪৪ ধারা জারির জন্য আবেদন জানানো হয়েছে। সেটি রংপুর মেট্রোপলিটন কমিশনারের কাছে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে সিদ্ধান্ত হবে ১৪৪ ধারা জারি করা হবে কিনা।







