এমবাপেকে থামাতে ৩ গোলকিপার খেলাতে চায় ইরাক!

Post Image

বিশ্বের প্রায় সব ডিফেন্ডার আর কোচের কাছেই এক ধরনের ধাঁধা যেন কিলিয়ান এমবাপে! তার গতি, গোল করার ক্ষমতা আর বড় ম্যাচে জ্বলে ওঠার অভ্যাস প্রতিপক্ষের রাতের ঘুম কেড়ে নেওয়ার জন্য যথেষ্ট। তাকে আটকাতে কত কৌশলই না সাজানো হয়, কিন্তু কার্যকর সমাধান খুঁজে পাওয়া কষ্টসাধ্য কাজ।

বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজের প্রথম ম্যাচেই একের পর এক রেকর্ড গড়ে সেই প্রশ্নকে আরও জটিল করে তুলেছেন ফ্রান্সের অধিনায়ক। ইতোমধ্যে বিশ্বকাপ ইতিহাসে গোলসংখ্যার হিসেবে পেছনে ফেলেছেন ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি পেলেকে। একই সঙ্গে টুর্নামেন্টের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকার দিকেও দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছেন তিনি। ফরাসি জাতীয় দলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ডও এখন তার দখলে।

আজ বাংলাদেশ সময় রাত তিনটায় গ্রুপ ‘আই’-এর দ্বিতীয় ম্যাচে ইরাকের মুখোমুখি হবে ফ্রান্স। আর সেই ম্যাচের আগে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে যথারীতি এমবাপে।

ফ্রান্সের আক্রমণভাগকে কীভাবে সামলানো যায়, বিশেষ করে এমবাপেকে কীভাবে থামানো যায়—এ প্রশ্নের জবাবে সংবাদ সম্মেলনে রসিকতাই করলেন ইরাক কোচ গ্রাহাম আর্নল্ড। হাসতে হাসতে তিনি বলেন, ‘আমি তো জিজ্ঞেস করেছিলাম, আমরা গোলপোস্টে একসঙ্গে তিনজন গোলকিপার খেলাতে পারি কি না! কিন্তু ওরা না করে দিল।’

আর্নল্ডের এই মন্তব্যেই যেন ফুটে উঠেছে এমবাপেকে ঘিরে প্রতিপক্ষের অসহায়ত্ব। ইরাকের পরিস্থিতিও খুব একটা স্বস্তিদায়ক নয়। নরওয়ের বিপক্ষে ৪-১ গোলে হারের ম্যাচে অধিনায়ক ও গোলরক্ষক জালাল হাসান চারটি গোলই হজম করেছিলেন। ফলে ফ্রান্সের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে গোলপোস্টের নিচে কাকে দেখা যাবে, সে সিদ্ধান্ত এখনো চূড়ান্ত করেননি আর্নল্ড।

প্রতিপক্ষ যত শক্তিশালীই হোক, নিজের দলকে আত্মবিশ্বাসী রাখার চেষ্টা করছেন ইরাক কোচ। আর্নল্ড বলেন, ‘ফ্রান্স কীভাবে খেলবে, সেটা আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। তবে আমরা নিজেদের খেলাটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারি। আমি নিশ্চিত করছি, আমার খেলোয়াড়রা মাঠে নেমে বিশ্বকে নিজেদের সামর্থ্য দেখানোর জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত থাকবে।’

অন্যদিকে ফ্রান্স শিবিরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে শুধু এমবাপের গোল কিংবা রেকর্ড নয়, অপেক্ষা করছে আরেকটি বিশেষ মাইলফলকও। ইরাকের বিপক্ষে মাঠে নামলেই জাতীয় দলের জার্সিতে নিজের ১০০তম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলবেন তিনি।

ক্যারিয়ারের এই বিশেষ মুহূর্ত নিয়ে এমবাপে বলেন, ‘জাতীয় দলের হয়ে খেলতে পারাটা সবসময়ই আনন্দের। জাতীয় দলের চেয়ে বড় আর কিছুই হতে পারে না। দেশের হয়ে ১০০টি ম্যাচ খেলা সত্যিই একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। আর সেটা যদি বিশ্বকাপের মঞ্চে হয়, তাহলে তো কথাই নেই।’

সর্বশেষ খবর

বামপন্থিরা মেসিকে, ডানপন্থিরা রোনালদোকে বেশি পছন্দ করেন: গবেষণা

অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে যে একাদশ নিয়ে মাঠে নামতে পারে আর্জেন্টিনা

এমবাপেকে থামাতে ৩ গোলকিপার খেলাতে চায় ইরাক!

অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে এক পরিবর্তন নিয়ে নামছে আর্জেন্টিনা

চাপে থাকা স্পেনের শুরুর একাদশে ফিরলেন ইয়ামাল

অস্ট্রেলিয়ার কাছে টি-টোয়েন্টি সিরিজে হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশ

ব্রাজিল নাকি মরক্কোকে এড়াতে চান নেদারল্যান্ডস কোচ?

ভাঙল রেকর্ড, ব্রাজিলকেও ছাড়িয়ে গেল নেদারল্যান্ডস