একদিনের সফরে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (১৩ জুন) ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমানযোগে কক্সবাজারের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন তিনি। ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপি সংখ্যগরিষ্ঠতা অর্জন করলে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পরে কক্সবাজারে তারেক রহমানের এটি প্রথম সফর।
এদিন সকাল পৌনে ৯টায় সকারপ্রধান গুলশানের বাসা থেকে ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। এরপর বিমানযোগে রওনা দেন কক্সবাজারের উদ্দেশে।
কক্সবাজার পৌঁছে সকাল সাড়ে ১০টায় পিএমখালী ইউনিয়নের পাতলী খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তার কর্মসূচি শুরু করবেন এবং সেখানে একটি সমাবেশে বক্তব্য দেবেন।
দিনের কর্মসূচি অনুযায়ী ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠান এবং বিকেলে চকরিয়া বাস টার্মিনালে স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত জনসভা, সন্ধ্যায় সুধী সমাবেশে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।
এ ছাড়া মেরিন ড্রাইভ সড়ক ঘুরে দেখবেন তারেক রহমান। কক্সবাজারবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পেকুয়া পৌরসভা ও মাতামুহুরী নতুন উপজেলার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর এ সফরকে ঘিরে জেলায় সাধারণ মানুষের পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝেও দেখা দিয়েছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। প্রত্যাশার কথাও জানাচ্ছেন তারা।
কক্সবাজারবাসীর প্রত্যাশার মধ্যে রয়েছে— চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীতকরণ, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, লবণের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ এবং রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কার্যকর উদ্যোগ। এছাড়া পর্যটন খাতের উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পূর্ণ ব্যবহার এবং শুঁটকি শিল্প রক্ষায়ও প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চান স্থানীয়রা।
পাশাপাশি কুতুবদিয়া রক্ষায় টেকসই বেড়িবাঁধ, মহেশখালী-কক্সবাজার চ্যানেলে সেতু, মাদক চোরাচালান বন্ধ ও সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়ার দাবিও রয়েছে স্থানীয়দের।
উল্লেখ্য, সরকারপ্রধানের এ সফরকে কেন্দ্র করে জোরদার করা হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সমাবেশস্থল ও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প এলাকা ইতোমধ্যেই পরিদর্শন করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দীন আহমেদ ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা।







