বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, ১৮৩১ সালের ৬ মে বালাকোটের ময়দানে সাইয়্যেদ আহমদ শহীদ (রহ.) ও শাহ ইসমাইল শহীদ (রহ.)-এর আত্মদান বৃথা যায়নি। বালাকোট কোনো পরাজয়ের নাম নয়, বরং এটি ছিল বাতিলের বিরুদ্ধে হকের আপসহীন সংগ্রামের এক অনন্য নবজাগরণ।
ঐতিহাসিক ‘বালাকোট দিবস’ উপলক্ষে বুধবার (৬ মে) তা'মীরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসা টঙ্গী শাখা ছাত্রশিবির আয়োজিত এক সিম্পোজিয়ামে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
পরওয়ার আরও বলেন, "আজকের ছাত্রসমাজকে বালাকোটের সেই রক্তভেজা ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিতে হবে। দেশ ও ইসলামের অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলে সমকালীন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।"
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির টঙ্গী মডেল শাখার সভাপতি মঈনুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং শাখা সেক্রেটারি মুর্তজা হাসান ফুয়াদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিবিরের কেন্দ্রীয় স্পোর্টস সম্পাদক মুশফিকুর রহমান।
প্রধান আলোচকের বক্তব্যে মুশফিকুর রহমান বলেন, "বালাকোটের চেতনা আমাদের শিখিয়েছে প্রতিকূল পরিবেশেও কীভাবে সত্যের পথে অটল থাকতে হয়। বর্তমান সময়ের সাংস্কৃতিক ও আদর্শিক আগ্রাসন রুখতে তরুণ প্রজন্মকে জ্ঞান ও নৈতিকতায় বলীয়ান হতে হবে।"
সিম্পোজিয়ামে বক্তারা বালাকোট যুদ্ধের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে মুসলিম উম্মাহর করণীয় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন। সভাপতির বক্তব্যে মঈনুল ইসলাম অতিথিদের ধন্যবাদ জানিয়ে বালাকোটের চেতনা প্রতিটি ছাত্রের দ্বারে দ্বারে পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে শাখা ও স্থানীয় পর্যায়ের প্রায় দেড় শতাধিক দায়িত্বশীল উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা শেষে বালাকোটের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে কর্মসূচি সমাপ্ত হয়।







